📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১২ শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে জাবি বন্ধুসভা শুভেচ্ছা চিঠি ও উপহার প্রদান করেছে। উদ্যোগে উপাচার্যসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সম্মানিত করা হয়
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে জাবি বন্ধুসভা বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ ১১২ জন শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে শুভেচ্ছা চিঠি, কলম ও স্মারক কি-রিং উপহার দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১২ শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে জাবি বন্ধুসভা শুভেচ্ছা চিঠি ও উপহার প্রদান করেছে।
- 📌 উদ্যোগে উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলামসহ সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. শামসুল আলম ও অধ্যাপক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামসহ ১১২ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তা সম্মানিত হন।
- 📌 ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে শিক্ষকদের সঙ্গে সরাসরি কুশল বিনিময় ও শুভেচ্ছাপত্র প্রদান করা হয়।
- 📌 জাবি বন্ধুসভার সভাপতি সৈয়দ সালমান হাসান বলেন, শিক্ষকের অবদান শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলায় অপরিহার্য।
- 📌 সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জানান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মিথস্ক্রিয়া আরও সুন্দর করে তোলার লক্ষ্যে বন্ধুসভা ভবিষ্যতেও উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ ভবন, একাডেমিক ইনস্টিটিউট, বিভাগীয় দপ্তর ও নতুন প্রশাসনিক ভবনে বন্ধুসভার সদস্যরা ছড়িয়ে পড়ে। তারা শিক্ষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং শিক্ষক দিবসের স্মারক হিসেবে বিশেষ শুভেচ্ছাপত্র তুলে দেন। এই উদ্যোগে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. সোহেল রানাসহ বন্ধুসভার উপদেষ্টামণ্ডলী, বিভাগীয় সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকরা।
জাবি বন্ধুসভার সভাপতি সৈয়দ সালমান হাসান বলেন, ‘শিক্ষকের অবদান শুধু শ্রেণিকক্ষের চার দেয়ালে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের মুক্তচিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গড়ে তোলার পেছনে শিক্ষকদের অবদান অপরিহার্য। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ।’
অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘শিক্ষকদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ১১২ জন শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার হাতে শুভেচ্ছাপত্র, কলম ও স্মারক কি-রিং পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে আমরা তাদের প্রতি অন্তরের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার বার্তা দিতে চেয়েছি।’
"একজন শিক্ষকের অবদান শুধু শ্রেণিকক্ষের চার দেয়াল কিংবা পাঠ্যবইয়ের পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। শিক্ষার্থীর মুক্তচিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ জীবনের সঠিক ভিত্তিপ্রস্তর গড়ে ওঠে শিক্ষকের হাত ধরেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাম্পাস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, সৈয়দ সালমান হাসান, আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক মো. শামসুল আলম, অধ্যাপক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১২ জন শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!