📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দুটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমঝোতা বৈঠকের পর মারামারি ঘটে। এতে দুই শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আহত হন। আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. শরীফুল ইসলাম আঘাত পেয়ে অচেতন হন। ঘটনার তদন্তের জন্য সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) গতকাল মঙ্গলবার বাসে উচ্চস্বরে কথা বলার বিষয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার দুপুরে মারামারি ঘটে। এতে দুই শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আহত হন। ঘটনাস্থলে আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. শরীফুল ইসলাম আঘাত পেয়ে অচেতন হন এবং বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হৃদয় ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাইদ আহত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের সামনে মারামারি ঘটে।
- 📌 গতকাল কুষ্টিয়াগামী বাসে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হৃদয় ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাইদের মধ্যে হাতাহাতির পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনা ঘটে।
- 📌 আহত হন আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. শরীফুল ইসলাম (অচেতন), বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হৃদয়, আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাইদ এবং প্রক্টর, সহকারী প্রক্টরসহ শিক্ষকরা।
- 📌 তালা দেন আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ঘটনার প্রতিবাদে দুপুর ১টার দিকে।
- 📌 গঠন করা হয়েছে বাংলা বিভাগের সভাপতি ড. মনজুর রহমানের আহ্বায়নে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি।
📰 বিস্তারিত
গতকাল মঙ্গলবার কুষ্টিয়াগামী গোধূলী বাসে উচ্চস্বরে কথা বলার বিষয়ে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হৃদয় ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাইদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ বেলা ১১টার দিকে প্রক্টর অফিসে আলোচনা সভা হয়। সভায় দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। তবে সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফের মারামারি ঘটে। আইসিটি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে।
আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. শরীফুল ইসলাম আঘাত পেয়ে অচেতন হন এবং আবু সাইদকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, সহকারী প্রক্টর আব্দুল বারী, আইসিটি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুর রহমানও আহত হন।
ঘটনার প্রতিবাদে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দেন। পরে বিকেল ৪টার দিকে প্রক্টরিয়াল বডির আশ্বাসে তারা তালা খুলে দেন। অন্যদিকে, ঘটনার বিষয়ে আলোচনা শেষে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। তবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠে।
"মেডিকেলে একজন অচেতন অবস্থায় এসেছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তিনি সুস্থ হন।"
— বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক বদিউজ্জামান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. শরীফুল ইসলাম, ড. মনজুর রহমান, ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ, শিক্ষার্থী হৃদয়, শিক্ষার্থী আবু সাইদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন আহত শিক্ষক, ২ জন আহত শিক্ষার্থী, ১৩টি চোরাই মোবাইল ফোন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!