📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘ফিউচার হারভেস্ট সামিট–২০২৬’-এ কৃষি গবেষণা, প্রযুক্তি ও টেকসই কৃষির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়। জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) তরুণদের কৃষি উদ্ভাবন ও টেকসই কৃষিতে নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরার লক্ষ্যে ‘ফিউচার হারভেস্ট সামিট–২০২৬’ আয়োজন করে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই দিনব্যাপী সম্মেলনে কৃষি গবেষণা, প্রযুক্তির ব্যবহার, টেকসই কৃষি ও উদ্যোক্তা বিকাশের বিষয়ে আলোচনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৬ সেপ্টেম্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ফিউচার হারভেস্ট সামিট–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কৃষি গবেষণা ও উদ্ভাবনের ফল মাঠে পৌঁছানোর আলোচনা হয়।
- 📌 গ্লোবাল ইয়ুথ পার্লামেন্টের সার্ক অঞ্চলের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার হাসান মাহমুদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে নেতৃত্ব দিতে হবে।
- 📌 বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন বলেন, গবেষণাগারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তিকে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া দরকার।
- 📌 প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ড. মো. সামিউল ইসলাম বলেন, কৃষি খাতকে লাভজনক করতে অ্যাগ্রো-ইকোনমি ও স্টার্টআপের জন্য সহজ অর্থায়নের ব্যবস্থা করতে হবে।
- 📌 কাজী কনসালট্যান্টসের অধ্যাপক এস. এম. আরিফুজ্জামান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারা যায়।
- 📌 চিত্ত মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল রানা বলেন, কৃষিভিত্তিক উদ্যোগের সফলতা গণমাধ্যমে তুলে ধরলে নতুন উদ্যোক্তারা উৎসাহিত হবে।
- 📌 আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
📰 বিস্তারিত
‘ফিউচার হারভেস্ট সামিট–২০২৬’-এ উপস্থিত অতিথিরা কৃষি খাতের আধুনিকায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। গ্লোবাল ইয়ুথ পার্লামেন্টের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার হাসান মাহমুদ বলেন, “তরুণদের শুধু সনাতন কৃষিতে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তার মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই কৃষিতে তাদের নেতৃত্ব দিতে হবে।”
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও জ্ঞানকে শুধু গবেষণাপত্রে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অণুজীববিজ্ঞানের ব্যবহার এখন সময়ের দাবি।”
অর্থনীতি বিষয়ক আলোচনায় প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির ড. মো. সামিউল ইসলাম বলেন, “কৃষি খাতকে লাভজনক ও টেকসই করতে অ্যাগ্রো-ইকোনমি ও এগ্রো-বিজনেসকে গুরুত্ব দিতে হবে। নতুন উদ্যোগ ও স্টার্টআপের জন্য সহজ শর্তে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।”
কাজী কনসালট্যান্টসের অধ্যাপক এস. এম. আরিফুজ্জামান বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে দক্ষ তরুণরা কৃষির উৎপাদনশীলতা আরও বাড়াতে পারে। এজন্য প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা এবং শিল্প ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর সংযোগ।”
চিত্ত মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল রানা বলেন, “কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ ও সফলতার গল্পগুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরলে নতুন উদ্যোক্তারা উৎসাহিত হবেন। কার্যকর প্রচার ও বিপণনব্যবস্থা কৃষিভিত্তিক উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
"তরুণদের শুধু সনাতন কৃষিতে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তার মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই কৃষিতে তাদের নেতৃত্ব দিতে হবে।"
"বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও জ্ঞানকে শুধু গবেষণাপত্রে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি), বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইঞ্জিনিয়ার হাসান মাহমুদ, ড. মোছা. মিনারা খাতুন, ড. মো. সামিউল ইসলাম, অধ্যাপক এস. এম. আরিফুজ্জামান, জুয়েল রানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!