📌 ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় সব মাদরাসায় যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমপক্ষে পাঁচ সদস্যের অভিযোগ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। কমিটির অধিকাংশ সদস্য নারী থাকবে এবং অভিযোগ বক্স স্থাপনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় মাদরাসায় যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নারী শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এ কে মুহা. নুরুল ইসলাম সোমবার (১৯ অক্টোবর) একটি নির্দেশনা জারি করেছেন, যেখানে সব সরকারি ও বেসরকারি মাদরাসায় কমপক্ষে পাঁচ সদস্যের ‘অভিযোগ কমিটি’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **মাদরাসায় যৌন হয়রানি প্রতিরোধে** কমপক্ষে পাঁচ সদস্যের অভিযোগ কমিটি গঠনের নির্দেশ ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় জারি করেছে।
- 📌 **কমিটির অধিকাংশ সদস্য নারী** থাকবে এবং সম্ভব হলে নারীকে কমিটির প্রধান করা হবে।
- 📌 **প্রতিটি মাদরাসায় স্বচ্ছ কাঁচের অভিযোগ বক্স** স্থাপন করতে হবে এবং সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে সদস্যদের উপস্থিতিতে তা খুলতে হবে।
- 📌 **অভিযোগ পাওয়া গেলে** তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত ও নিষ্পত্তি করা হবে এবং ভুক্তভোগীকে আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে।
- 📌 **মাসিক কার্যক্রম প্রতিবেদন** বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে হবে।
📰 বিস্তারিত
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এ কে মুহা. নুরুল ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি মাদরাসায় কমপক্ষে পাঁচ সদস্যের একটি অভিযোগ কমিটি গঠন করা হবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কমিটির অধিকাংশ সদস্য নারী থাকবে এবং সম্ভব হলে নারীকে কমিটির প্রধান করা হবে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
অভিযোগ কমিটির পাশাপাশি, প্রতিটি মাদরাসায় একটি স্বচ্ছ কাঁচের অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হবে। এই বক্সটি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে খোলা হবে। কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনে আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে।
মহামান্য হাইকোর্টের রিট আবেদনের রায়ের আলোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে প্রতি মাসে কমিটির কার্যক্রমের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
"প্রতিটি মাদরাসায় দৃশ্যমান স্থানে একটি স্বচ্ছ কাঁচের অভিযোগ বক্স স্থাপন করতে হবে এবং সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে তা খুলতে হবে। কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত ও নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে হবে এবং প্রয়োজনে ভুক্তভোগীকে আইনি সহায়তার সুযোগ করে দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সব সরকারি ও বেসরকারি মাদরাসা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. এ কে মুহা. নুরুল ইসলাম (রেজিস্ট্রার, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ সদস্য (অভিযোগ কমিটি), ১৯ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!