📌 ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ চলছে। ৬টি বিষয়ে ভর্তির যোগ্যতা, ফেলোশিপের শর্তসহ বিস্তারিত জানুন
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আবেদন শুরু হয়েছে। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। প্রোগ্রামে ফেলোশিপসহ বিভিন্ন সুযোগ থাকলেও যোগ্যতা ও শর্তাবলী পূরণ করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখ
- 📌 ৬টি বিষয়ে এমফিল ও পিএইচডি ভর্তি: আল-কোরআন, আল-হাদিস, আদ-দাওয়াহ, আরবি সাহিত্য, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, আল-ফিকহ
- 📌 এমফিলে ভর্তির জন্য ৫০ শতাংশ নম্বর বা জিপিএ-৫ স্কেলে ৩.৫০ থাকতে হবে
- 📌 পিএইচডিতে ৩ বছরের শিক্ষকতা বা গবেষণা অভিজ্ঞতা থাকলে সরাসরি আবেদন করা যাবে
- 📌 প্রথম ১৫ জন প্রার্থীকে ফেলোশিপ দেওয়া হবে, তবে গবেষক সংখ্যা বিবেচনায় পরিবর্তন হতে পারে
- 📌 চাকরিজীবীদের নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের অনাপত্তিপত্র জমা দিতে হবে
📰 বিস্তারিত
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের জন্য পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন দুটি ধরনের ভর্তি চলছে। শিক্ষার্থীরা ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে পারবেন। প্রোগ্রামে ফেলোশিপ বা বৃত্তির সুযোগও রয়েছে।
এমফিল প্রোগ্রামে ৬টি বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে: আল-কোরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আদ-দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আরবি ভাষা ও সাহিত্য, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং আল-ফিকহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ।
এমফিলে ভর্তির জন্য যোগ্যতা নিম্নরূপ:
- ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাজিল (স্নাতক) অনার্স, ফাজিল (স্নাতক) পাস বা সমমান এবং কামিল (স্নাতকোত্তর) বা সমমান—উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর অথবা জিপিএ-৫ স্কেলে ৩.৫০ অথবা সিজিপিএ-৪ স্কেলে ৩.০০ থাকতে হবে।
- দাখিল বা সমমান এবং আলিম বা সমমান—উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ-৫ স্কেলে ৩.৫০ থাকতে হবে।
- বিদেশি শিক্ষার্থী বা বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারী প্রার্থীদের আবেদন করার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট সমতা বিধান কমিটি থেকে সনদের সমতা নির্ধারণ করতে হবে।
পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য যোগ্যতা:
- স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মাদ্রাসা বা সমমান প্রতিষ্ঠানে ফাজিল বা কামিল পর্যায়ে কমপক্ষে ৩ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকলে আবেদন করা যাবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনে ন্যূনতম দুটি প্রথম বিভাগ বা শ্রেণি, সিজিপিএ-৪ স্কেলে ৩.০০ বা সিজিপিএ-৫ স্কেলে ৩.৫০ এবং স্বীকৃত মানের জার্নালে কমপক্ষে দুটি প্রকাশনা থাকতে হবে।
- সরাসরি পিএইচডিতে আবেদন করার জন্য ৩ বছরের গবেষণা বা চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলেও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।
এমফিল প্রোগ্রামের মেয়াদ রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে দুই বছর। প্রথম পর্বে কোর্সওয়ার্ক এবং দ্বিতীয় পর্বে থিসিস সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিক বাছাইয়ের পর প্রার্থীদের লিখিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
এমফিল প্রোগ্রামে ফেলোশিপের জন্য ১৫ জন প্রার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। তবে গবেষকের সংখ্যা বিবেচনায় এই সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে। ফেলোশিপ পাওয়া গবেষকদের কোর্স চলাকালে পূর্ণ ছুটিতে থাকতে হবে। চাকরিজীবীদের পূর্ণকালীন এমফিলে ভর্তির ক্ষেত্রে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের অনাপত্তিপত্র জমা দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।
"ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের কমপক্ষে এক বছরের ছুটি নিয়ে প্রোগ্রামে যোগ দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক ও কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ অক্টোবর, ৫০ শতাংশ, ৩.৫০ (জিপিএ), ১৫ জন (ফেলোশিপ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!