📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে উত্তরপত্র হারানোর অভিযোগ: পাঁচ মাস ধরে আটকে ফল

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে উত্তরপত্র হারানোর অভিযোগ: পাঁচ মাস ধরে আটকে ফল

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র হারানোর অভিযোগ উঠেছে প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের বিরুদ্ধে। পাঁচ মাস ধরে আটকে আছে ফল প্রকাশের কাজ, যা পরবর্তী সেমিস্টারের পরীক্ষাও স্থগিত করেছে। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে, কিন্তু ফল প্রকাশের কোনো আশানীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) এর ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাঁচ মাস ধরে আটকে আছে ফল প্রকাশের কাজ। উত্তরপত্র হারানোর অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগের কারণে বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরবর্তী সেমিস্টারের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের একটি কোর্সের উত্তরপত্র হারানোর অভিযোগ উঠেছে প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের বিরুদ্ধে।
  • 📌 ২ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ৬০টিরও বেশি খাতা হারানোর অভিযোগে বিভাগের কর্মচারী জাবেদ আলী প্রো-ভিসির কাছে খাতা পৌঁছানোর দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
  • 📌 ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারিত দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে খাতা হারানোর ঘটনার কারণে।
  • 📌 ২৬ সেপ্টেম্বর তদন্ত কমিটি গঠিত হয়, কিন্তু অভ্যন্তরীণ পরীক্ষক ড. শাহাবুল আলমকে আহ্বায়ক করা হয় পারিবারিক সমস্যার কারণে প্রফেসর ড. শরিফুল ইসলামের অস্বীকৃতি জানানোর পর।
  • 📌 তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন সিলগালা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছে, কিন্তু ফল প্রকাশের কোনো আশানীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

📰 বিস্তারিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাঁচ মাস ধরে আটকে আছে ফল প্রকাশের কাজ। গত ২ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ২১০৭ নম্বর কোর্সের উত্তরপত্র হারানোর অভিযোগ উঠেছে প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের বিরুদ্ধে। ছয়টি কোর্সের মধ্যে পাঁচটির মূল্যায়ন নম্বর পরীক্ষা কমিটির সভাপতির কাছে জমা পড়লেও এই একটি কোর্সের উত্তরপত্র না পাওয়ায় ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

সূত্র জানায়, গত ১১ মে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষক ড. শাহাবুল আলম উত্তরপত্র পান। পরীক্ষা শেষে তিনি ২০ মে খাতাগুলো বিভাগে জমা দেন। পরে বিভাগের কর্মচারী জাবেদ আলী ৬০টিরও বেশি খাতার বান্ডিল প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের কাছে দেন। এরপর থেকে খাতাগুলোর হদিস নেই বলে দাবি বিভাগীয় শিক্ষকদের।

প্রথম সেমিস্টারের ফল প্রকাশ না হলেও বিভাগ ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করে। পরীক্ষার দুই দিন আগে খাতা হারানোর বিষয়টি আড়াল করতে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো: শাহাবুল আলম বলেন, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষক হিসেবে খাতাগুলো মূল্যায়ন করে তিনি জমা দেয়ার পর প্রো-ভিসি খাতা দেখার কথা ছিল। তবে তিনি খাতাগুলো পাননি বলে জানিয়েছেন। তদন্তের বিষয়ে তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন বিধিসম্মতভাবে সিলগালা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছে। তদন্তে যা উঠে এসেছে, সেটিই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন কর্তৃপক্ষই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

"আমি খাতা দেখার জন্য চেয়েছিলাম; কিন্তু আমার কাছে খাতা আসেনি।"

অভিযোগের বিষয়ে প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, "আমি খাতা দেখার জন্য চেয়েছিলাম; কিন্তু আমার কাছে খাতা আসেনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি), ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষক ড. শাহাবুল আলম, কর্মচারী জাবেদ আলী, পরীক্ষা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. তালুকদার লোকমান হাকিম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ, ২ মে, ২০ মে, ১১ মে, ৬০টি খাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ৩ অক্টোবর, ২৬ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖