📌 শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন ঘোষণা করেছেন, এক বা দুই বিষয়ে ফেল হওয়া ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ শিক্ষার্থীর পুনরায় পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে নেওয়া হবে। পাসের হার কমে ৫২.১২ শতাংশে নেমে এসেছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন ঘোষণা করেছেন, এক বা দুই বিষয়ে ফেল হওয়া ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ শিক্ষার্থীর পুনরায় পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের আরেক বছর নষ্ট না হওয়ার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এক বা দুই বিষয়ে ফেল হওয়া ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ শিক্ষার্থীর পুনরায় পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে নেওয়া হবে
- 📌 এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪১৩ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে
- 📌 এক বিষয়ে ফেল হয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন, দুই বিষয়ে ফেল হয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন
- 📌 খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে
- 📌 গত পরীক্ষায় ৪৫ হাজার শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে, ৫ হাজার ফেল থেকে পাস করেছে
- 📌 পাসের হার কমে ৫২.১২ শতাংশে নেমে এসেছে (গতবছর ৫৮.৮৩ শতাংশ)
- 📌 ইংরেজিতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১৩ হাজার ৮৪৯ জন ফেল হয়েছে
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষা পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যারা এক ও দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের পরীক্ষা আমরা এক মাসের মধ্যে নিয়ে নেব। তাহলে যেন তাদের আগামী দিনে আর একটি বছর নষ্ট না হয়।’
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সাত বা ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হলেও শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ঘাটতি থাকবে। আবার পরীক্ষা পিছিয়ে গেলে তাদের ভর্তি কার্যক্রমেও প্রভাব পড়বে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হবে। তবে এক মাসের বেশি সময় দেওয়া সম্ভব হবে না।
খাতা পুনর্নিরীক্ষণের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে হবে। গত এইচএসসি পরীক্ষায় প্রায় ১৩ লাখ খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য জমা পড়েছিল। সেগুলো যাচাই করে ৪৫ হাজার শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছিল। প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছিল এবং ৩ হাজার ৭৯ জন বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছিল।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রকাশের পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং খাতা মূল্যায়নে বেশি ভুল হলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও কাজ হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চান, যে যা করেছে তার সঠিকভাবে মূল্যায়িত হওয়া। কাউকে যেন অবমূল্যায়িত করা না হয়। স্বচ্ছ ফল আমাদের দিতে হবে।’
এবারের ফলাফলে শিক্ষার্থীদের শেখার ক্ষেত্রে ঘাটতি দেখা গেছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এটি একটি বাস্তব চিত্র। এসব ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা যায়, সে জন্য মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ড কাজ করবে। অভিভাবক ও শিক্ষকদেরও এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে হবে।
"যারা এক ও দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের পরীক্ষা আমরা এক মাসের মধ্যে নিয়ে নেব। তাহলে যেন তাদের আগামী দিনে আর একটি বছর নষ্ট না হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ শিক্ষার্থী (পুনরায় পরীক্ষা), ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪১৩ অকৃতকার্য শিক্ষার্থী, ৫২.১২ শতাংশ (পাসের হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!