📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩০ নভেম্বর মধ্যে দেশব্যাপী উপজেলায় পৌঁছাবে মানসম্মত বই: সরকারের লক্ষ্য চার কোটি শিক্ষার্থীর হাতে পাঠ্যবই

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আ ন ম এহছানুল হক মিলন আ ন ম এহছানুল হক মিলন
৩০ নভেম্বর মধ্যে দেশব্যাপী উপজেলায় পৌঁছাবে মানসম্মত বই: সরকারের লক্ষ্য চার কোটি শিক্ষার্থীর হাতে পাঠ্যবই

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৩০ নভেম্বর মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলায় মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছাতে সরকারের কঠোর পরিকল্পনা। এনসিটিবি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় ৫৩টি মনিটরিং দলের মাধ্যমে মান নিয়ন্ত্রণে নজরদারি করছে। বর্তমানে ৩০ কোটি বই ছাপা হচ্ছে, যার মধ্যে ৭৪% প্রাক-প্রাথমিক স্তরের বই সম্পন্ন হয়েছে

৩০ নভেম্বর মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলায় মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছাতে সরকারের কঠোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার আগেই প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিটি উপজেলায় শতভাগ মানসম্মত বই পৌঁছে দেওয়ার জন্য ৫৩টি মনিটরিং দল মাঠে কাজ করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩০ নভেম্বর মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় পৌঁছাবে মানসম্মত পাঠ্যবই
  • 📌 ৩০ কোটি ৭১ লাখ ৯৮ হাজার ১০১ কপি বই ছাপা হবে, যার মধ্যে ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০টি প্রাক-প্রাথমিক বইয়ের ৭৪.৪৫% এবং ২ কোটি ৮০ লাখ প্রাথমিক বইয়ের ৩৬.৯৬% ছাপা শেষ হয়েছে।
  • 📌 সাড়ে চার লাখ ফর্মা এবং ২৭ হাজার নিম্নমানের বই ইতোমধ্যে বাতিল ও বিনষ্ট করা হয়েছে।
  • 📌 ১১৩টি প্রেসের মধ্যে ৯১টি এখনও বই ছাপছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট মোকাবিলায় জেনারেটর ব্যাকআপ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
  • 📌 ৩৩টি এনসিটিবি ও ৭টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং টিম প্রেসে নজরদারি করছে।

📰 বিস্তারিত

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবি সূত্রে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন ছাপাখানায় প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বই ছাপার কাজ পুরোদমে চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই সরবরাহ নিশ্চিত করতে ছাপাখানা থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ে বই গ্রহণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে মান নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। এ জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনসিটিবি ও একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে ৫৩টি মনিটরিং দল মাঠে কাজ করছে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মাদ গোলাম ফখরুল মাওলা বলেছেন, এ বছর পাঠ্যবইয়ের মানের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মান ঠিক না থাকায় বিপুলসংখ্যক ফর্মা ও বই বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, ৩০ নভেম্বর মধ্যে শতভাগ মানসম্মত ও নির্ভুল পাঠ্যবই উপজেলাগুলোতে পৌঁছে দিতে মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবি কাজ করছে।

বই গ্রহণের সময় জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সরাসরি মান যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বই গ্রহণের পরও মানে কোনো ত্রুটি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এনসিটিবির ২২ সেপ্টেম্বরের উৎপাদন প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক, দাখিল, ভোকেশনাল ও কারিগরি স্তর মিলিয়ে মোট ৩০ কোটি ৭১ লাখ ৯৮ হাজার ১০১ কপি বই ছাপানো হবে। এর মধ্যে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বইও রয়েছে।

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, উপজেলা পর্যায়ে নিম্নমানের কাগজে ছাপা বই গ্রহণ করা হবে না। নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত বই সরবরাহে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে ছাড় দেওয়া হবে না।

"এ বছর পাঠ্যবইয়ের মানের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মান ঠিক না থাকায় বিপুলসংখ্যক ফর্মা ও বই বাতিল করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (ছাপাখানা), বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলা (বিতরণ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রফেসর মোহাম্মাদ গোলাম ফখরুল মাওলা (এনসিটিবি চেয়ারম্যান), ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন (শিক্ষা মন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ নভেম্বর, ৩০ কোটি ৭১ লাখ ৯৮ হাজার ১০১ কপি বই, ৫৩টি মনিটরিং দল, ২৭ হাজার বাতিল বই, ৭৪.৪৫% প্রাক-প্রাথমিক বই সম্পন্ন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖