📌 বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চশিক্ষা খাতে প্রশাসনিক পরিবর্তন এনেছে। উপাচার্য ও ইউজিসি সদস্য নিয়োগে অনিয়ম ও যোগ্যতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চশিক্ষা খাতে বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক পরিবর্তন এনেছে। নির্বাচনী ইশতেহারে উচ্চশিক্ষাকে জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উল্লেখ করা হলেও বেশিরভাগ উদ্যোগই এখনো পরিকল্পনা বা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে ইতিমধ্যে উপাচার্য ও ইউজিসি সদস্য নিয়োগে বেশ কিছু অনিয়ম ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্তের অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্যদের অব্যাহতি দিয়ে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে
- 📌 নতুন উপাচার্যদের মধ্যে দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক অব্যাহতিপ্রাপ্ত শিক্ষক রয়েছেন
- 📌 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা-সাহিত্য বিভাগের শিক্ষকদের উপাচার্য নিয়োগের ঘটনা ঘটেছে
- 📌 ইউজিসির নতুন চেয়ারম্যানসহ ছয় সদস্যের মধ্যে চারজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক
- 📌 ইউজিসির সদস্য হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন সদস্য মাত্র দুই মাস আগে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন
📰 বিস্তারিত
সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চশিক্ষা খাতে প্রশাসনিক পরিবর্তনের অংশ হিসেবে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্যদের অব্যাহতি দেওয়া হয়। তবে সবাইকে অব্যাহতি দেওয়া হয়নি; কারও কারও ক্ষেত্রে পদোন্নতিও দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্যদের মধ্যে এমন কয়েকজন রয়েছেন যাঁদের বিরুদ্ধে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে ভাষা-সাহিত্য বিভাগের শিক্ষকদের উপাচার্যের দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
উচ্চশিক্ষা খাতে আরেকটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি)। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত প্রায় সব সদস্যকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন কমিশনের ছয় সদস্যের মধ্যে চারজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, একজন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং একজন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। ইউজিসির সদস্য হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন সদস্য মাত্র দুই মাস আগে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন এবং তাঁর কোনো উচ্চতর ডিগ্রি নেই।
ইউজিসি অধ্যাদেশ, ১৯৭৩ অনুযায়ী, কমিশনের সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকদের মধ্য থেকে সদস্য নিয়োগ দেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সদস্যদের মধ্যে কয়েকজন অপেক্ষাকৃত তরুণ এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এমন নিয়োগ কতটা বিধিসংগত হয়েছে তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
"দেশের ছাত্র-জনতার হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি সুন্দর ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছি। শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন ছাড়া সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব নয়। এই সুযোগ হেলায় হারানোর অবকাশ নেই—নইলে জাতি পিছিয়ে যাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য, ইউজিসি সদস্য
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ছয়জন ইউজিসি সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!