📌 শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন নীতিমালা জারি করেছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন হবে, আর দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হবে। শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন আগে পরীক্ষা চালু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন, কিন্তু প্রথম শ্রেণিতে লটারি বজায় রাখা হয়েছে
২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই নীতিমালা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন হবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে, আর দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি হবে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে। আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) এই নীতিমালা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হবে লটারির মাধ্যমে — সর্বোচ্চ পাঁচটি স্কুলে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থী, তবে ডাবল শিফট স্কুলে দুটি পছন্দক্রম হিসেবে গণ্য হবে
- 📌 দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি হবে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে — দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ৫০ নম্বরে এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ১০০ নম্বরে পরীক্ষা হবে
- 📌 মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন, প্রথম শ্রেণি থেকে পরীক্ষা চালু করা হবে — কিন্তু শেষ পর্যন্ত লটারি বজায় রাখা হয়েছে
- 📌 ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কোচিং সেন্টার খোলার অভিযোগ উঠেছে — ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির নামে
📰 বিস্তারিত
২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা আজ মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে। আবেদনকারীরা সর্বোচ্চ পাঁচটি স্কুলের পছন্দক্রম দিতে পারবেন, তবে ডাবল শিফট স্কুলে উভয় পালা পছন্দ করলে তা দুটি পছন্দক্রম হিসেবে গণ্য হবে। অন্যদিকে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি হবে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে। দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে পরীক্ষা হবে ৫০ নম্বরে এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ১০০ নম্বরে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন গত মার্চে একটি সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, ভর্তিতে লটারির পরিবর্তে পরীক্ষা চালু করা হবে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রথম শ্রেণিতে লটারির পদ্ধতি বজায় রাখা হয়েছে। শিক্ষাবিদ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের দাবি ছিল, প্রাথমিক স্তরে লটারির পরিবর্তে পরীক্ষা চালু হলে শিশুদের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ বাড়বে। পাশাপাশি কোচিং ও প্রাইভেট শিক্ষার উপর নির্ভরতা বাড়বে, যা শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য আরও বৃদ্ধি করবে।
এই নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে প্রথম শ্রেণির লটারির প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে। অন্যদিকে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে। শিক্ষাবিদদের মতে, এই পরিবর্তন শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য কমাতে সাহায্য করবে, তবে কোচিং সেন্টার খোলার অভিযোগও উঠেছে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির নামে কোচিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
"ভর্তি পরীক্ষার নামে অল্প বয়সেই শিশুদের কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হতো। কোচিং ও প্রাইভেট ছিল সাধারণ ঘটনা। নামী বিদ্যালয়ে সন্তানকে ভর্তি করাতে অনেক পরিবার কোচিং সেন্টারের দ্বারস্থ হতো।" — শিক্ষাবিদ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সারাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন
- 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ নম্বরে (২-৫ শ্রেণি), ১০০ নম্বরে (৬-৯ শ্রেণি)
- 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পাঁচটি স্কুলে পছন্দক্রম (প্রথম শ্রেণি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!