📌 সরকার দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল অফিস চালু করার উদ্যোগ নেয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সহযোগিতা, গবেষণা বিনিময় এবং বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণ বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে ইউজিসির সদস্য ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন এই পরিকল্পনা ঘোষণা করেন
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সরকার দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল অফিস চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারিত হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন এই পরিকল্পনার বিবরণ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল অফিস চালু হবে — এই উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সহযোগিতা, গবেষণা বিনিময় এবং বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণ বৃদ্ধি পাবে।
- 📌 বিদেশি শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির প্রক্রিয়া সহজতর করার জন্য ‘স্টাডি বাংলাদেশ’ নামে একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টাল চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে এই পোর্টালের আওতায় আনা হবে।
- 📌 ইন্টারন্যাশনাল অফিসের মাধ্যমে একাডেমিক কোলাবরেশন, স্কলারশিপ সুবিধা, যৌথ ডিগ্রী প্রোগ্রাম এবং বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শিক্ষক-গবেষকদের দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে।
- 📌 ‘ব্রেইন সার্কুলেশন’ ধারণার উপর জোর দিয়ে ড. মামুন বলেন, বিদেশে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা ও শিক্ষায় কাজে লাগানোর ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার।
- 📌 বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ডিজিটাল সেবা — MyBOU Mobile App, e-Attendance System এবং Complaint/Services Management System আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সরকারের নতুন উদ্যোগের মধ্যে অন্যতম হলো দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল অফিস চালু করা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারিত হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন এই পরিকল্পনার বিবরণ দেন। তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে আরও আন্তর্জাতিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা।
ড. মামুন বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণ, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়াসহ বৃহত্তর অঞ্চলের একটি আকর্ষণীয় উচ্চশিক্ষা গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, জ্ঞান বিনিময়, গবেষণা, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত হবে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকার ‘স্টাডি বাংলাদেশ’ নামে একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টাল চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে। এই পোর্টালের মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন এবং ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে এই পোর্টালের আওতায় আনা হবে। এই লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের HEAT প্রকল্পের অধীনে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের জন্য ইতোমধ্যে আগ্রহপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
ড. মামুন বলেন, ইন্টারন্যাশনাল অফিসের মাধ্যমে একাডেমিক কোলাবরেশন, স্কলারশিপের সুযোগ, যৌথ ডিগ্রী প্রোগ্রাম এবং বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শিক্ষক-গবেষকদের দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত করার ব্যবস্থা করা হবে। তিনি ‘ব্রেইন সার্কুলেশন’ ধারণার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বিদেশে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণায় কাজে লাগানোর কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এতে দেশের গবেষণার মানোন্নয়ন, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজিটাল সেবাগুলোর কথা উল্লেখ করে ড. মামুন বলেন, MyBOU Mobile App, e-Attendance System এবং Complaint/Services Management System-এর উদ্বোধনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার, উপস্থিতি ব্যবস্থাপনা এবং অভিযোগ ও সেবা ব্যবস্থাপনায় কার্যকারিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় ডিজিটাল রূপান্তর ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার উদ্যোগ সমন্বিতভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
"বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়াসহ বৃহত্তর অঞ্চলের একটি আকর্ষণীয় উচ্চশিক্ষা গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন (ইউজিসি সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় (স্টাডি বাংলাদেশ পোর্টালের আওতায়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!