📌 গভীর সন্দেহে সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের ঘটনা উঠে এসেছে। পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে পুকুরের এক-তৃতীয়াংশ ভরাট করা হয়, যা সিটি করপোরেশন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নজরে পড়ে। কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্য, কিন্তু স্থানীয়রা ও পরিবেশবাদীরা সন্দেহ প্রকাশ করছেন
গভীর সন্দেহের মধ্যে রেখেছে সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের প্রকল্প। ছাত্রাবাস নির্মাণের নামে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে পুকুরের এক-তৃতীয়াংশ ভরাট করা হয়েছে, যা সিটি করপোরেশন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নজরে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবাদীরা দাবি করছেন, এই প্রকল্পে কলেজ কর্তৃপক্ষের পিছনে ছাত্রদলের সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুরের প্রায় ৩০ শতাংশের এক-তৃতীয়াংশ (১০ শতাংশ) গত রাতেই ভরাট করা হয়েছে।
- 📌 সিটি করপোরেশন ও পরিবেশ অধিদপ্তর পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
- 📌 কলেজের অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি ভরাটের কাজ পরিচালনা করছিল, কিন্তু সিটি করপোরেশন কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
- 📌 ছাত্রাবাস নির্মাণের নামে পুকুর ভরাটের প্রকল্পে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ আইনবিদ সমিতির বরিশাল সমন্বয়ক লিংকন বায়েন।
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা দীপু হাফিজুর রহমান বলেছেন, পুকুরটি দীর্ঘদিন অস্বাস্থ্যকর ছিল, কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আইন মেনে কাজ করা উচিত।
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার রাতে সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুরের দক্ষিণ পাশে বালু ফেলে একাংশ ভরাট করা হয়। স্থানীয়রা জানান, এই পুকুরের আয়তন ছিল প্রায় ৩০ শতাংশ। গতকাল রোববার দুপুরে সিটি করপোরেশন কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকেও কলেজ কর্তৃপক্ষকে নোটিশ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
কলেজের অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিনের পরিকল্পনায় পুকুর ভরাটের কাজ পরিচালনা করছিলেন ছাত্রদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম টিপু। টিপু দাবি করেছেন, পুকুরটি কলেজের মালিকানাধীন এবং ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্য বালু ফেলা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, ‘এটা একটা ডোবা। সেখানে অশ্বিনী কুমার দত্তের নামে ছাত্রাবাস করব। কলেজ কর্তৃপক্ষ সেখানে বালু ফেলছে।’
বরিশাল সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ শাখার প্রধান মো. লকিতুল্লাহ শিকদার জানান, প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০ অনুযায়ী পুকুর ভরাট দণ্ডনীয় অপরাধ। তিনি বলেন, ‘প্রশাসকের নির্দেশে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। অন্যথায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির বরিশাল সমন্বয়ক লিংকন বায়েন বলেন, ‘পুকুরটি স্থানীয় মানুষের পানির চাহিদা মেটাত এবং এর সঙ্গে অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করছেন।’
"এটা একটা ডোবা। সেখানে অশ্বিনী কুমার দত্তের নামে ছাত্রাবাস করব। কলেজ কর্তৃপক্ষ সেখানে বালু ফেলছে।"
— রফিকুল ইসলাম টিপু, সরকারি বরিশাল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সরকারি বরিশাল কলেজ কম্পাউন্ড, বরিশাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মহিউদ্দিন (অধ্যক্ষ), রফিকুল ইসলাম টিপু (ছাত্রদল সভাপতি), দীপু হাফিজুর রহমান (বাসিন্দা), লিংকন বায়েন (পরিবেশ আইনবিদ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ শতাংশ (পুকুরের মোট আয়তন), ১০ শতাংশ (ভরাট করা অংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!