📌 মিরপুরের বিউবিটিতে অনুষ্ঠিত ‘ন্যাশনাল ফিউচার অ্যাস্ট্রোনটস মিট-আপ ২০২৬’-এ ৫০ জন ৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু মহাকাশবিজ্ঞান ও স্পেস রোবোটিক্সে হাতেখড়ি করল। উপাচার্য শওকত আলী বলেন, শিশুরাই হবে আগামী বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী
মহাকাশের গভীর রহস্য ও স্পেস টেকনোলজির সাথে পরিচিতি লাভের জন্য রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি) আয়োজিত ‘ন্যাশনাল ফিউচার অ্যাস্ট্রোনটস মিট-আপ ২০২৬’-এ ৫০ জন ৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোর অংশগ্রহণ করে। স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের সহায়তায় অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে শিশুরা মহাকাশবিজ্ঞান, স্পেস রোবোটিক্স, রোবট ও রকেট নির্মাণসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫০ জন শিশু অংশ নেয় বিউবিটির ‘ফিউচার অ্যাস্ট্রোনটস মিট-আপ’-এ, যাদের বয়স ৪ থেকে ১৪ বছর
- 📌 স্পেস স্টোরিটেলিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিশুরা মহাকাশ নিয়ে নিজস্ব গল্প উপস্থাপন করে
- 📌 বিইউবিটি উপাচার্য এ বি এম শওকত আলী বলেন, ‘আজকের শিশুরাই হবে আগামী বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক’
- 📌 স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের প্রেসিডেন্ট আরিফুল হাসান আহ্বান জানান, শিশুদের মহাকাশ নিয়ে প্রশ্ন করা, গল্প বলা ও রোবট তৈরি করা উচিত
- 📌 মহাকাশবিজ্ঞান ও স্পেস রোবোটিক্স বিষয়ে হাতেখড়ি পায় শিশুরা কর্মশালা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে
📰 বিস্তারিত
‘ন্যাশনাল ফিউচার অ্যাস্ট্রোনটস মিট-আপ ২০২৬’ অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল শিশুদের স্পেস স্টোরিটেলিং প্রতিযোগিতা। প্রথম ধাপে অংশগ্রহণকারী শিশুরা মহাকাশ নিয়ে নিজস্ব স্বপ্ন, চিন্তা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা উপস্থাপন করে। দ্বিতীয় ধাপে পাঁচ মিনিটের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত শিশুরা নিজস্ব গল্প উপস্থাপন করে।
দিনজুড়ে শিশুদের জন্য অনুষ্ঠিত হয় মহাকাশবিজ্ঞান, স্পেস রোবোটিক্স, রোবট ও রকেট নির্মাণ বিষয়ক কর্মশালা। এছাড়াও স্পেস আর্টসহ প্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেয় শিশুরা। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বিউবিটির উপাচার্য এ বি এম শওকত আলী। তিনি বলেন, ‘আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক। তাদের জ্ঞান অর্জন, পরিশ্রম ও নতুন কিছু জানার আগ্রহই তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে।’
সমাপনী অনুষ্ঠানে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের প্রেসিডেন্ট আরিফুল হাসান বলেন, ‘আমরা চাই, শিশুদের কাছে মহাকাশ শুধু বইয়ের একটি অধ্যায় না হয়ে থাকে। তারা মহাকাশ নিয়ে প্রশ্ন করুক, নিজের মতো করে ভাবুক, গল্প বলুক, রোবট তৈরি করুক এবং ভবিষ্যতের পৃথিবী ও মহাকাশের কল্পনা করুক। এই শিশুদের মধ্য থেকেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, গবেষক বা মহাকাশচারী তৈরি হতে পারে।’
"আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক। তাদের জ্ঞান অর্জন, পরিশ্রম ও নতুন কিছু জানার আগ্রহই তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে।"
"আমরা চাই, শিশুদের কাছে মহাকাশ শুধু বইয়ের একটি অধ্যায় না হয়ে থাকে। তারা মহাকাশ নিয়ে প্রশ্ন করুক, নিজের মতো করে ভাবুক, গল্প বলুক, রোবট তৈরি করুক এবং ভবিষ্যতের পৃথিবী ও মহাকাশের কল্পনা করুক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি), মিরপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিউবিটি উপাচার্য এ বি এম শওকত আলী, স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের প্রেসিডেন্ট আরিফুল হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ জন শিশু-কিশোর (৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!