📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিনা মূল্যের পাঠ্যবইয়ের মান নিয়ে সরকারি তদন্ত: ৭ লাখ ফর্মা বাতিল, ১৪টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান নোটিশে

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আ ন ম এহছানুল হক মিলন আ ন ম এহছানুল হক মিলন
বিনা মূল্যের পাঠ্যবইয়ের মান নিয়ে সরকারি তদন্ত: ৭ লাখ ফর্মা বাতিল, ১৪টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান নোটিশে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিনা মূল্যের পাঠ্যবইয়ের মান নিয়ে সরকারি তদন্ত চলছে। নিম্নমানের কাগজ ও কালির কারণে ৭ লাখ ফর্মা বাতিল করা হয়েছে এবং ১৪টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ছাপাখানাগুলো পরিদর্শন করেছেন

বিনা মূল্যের পাঠ্যবইয়ের মান নিয়ে সরকারি তদন্তের পর ৭ লাখ ফর্মা বাতিল করা হয়েছে এবং ১৪টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন গত সোমবার ছয়টি ছাপাখানায় পরিদর্শন করেন এবং বইয়ের মান ও ছাপার কাজের অগ্রগতি যাচাই করেন। এনসিটিবির সূত্রে জানা যায়, নিম্নমানের কাগজ ও কালির কারণে বইয়ের মান নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭ লাখ ফর্মা বাতিল: নিম্নমানের কাগজ ও কালির কারণে বই ছাপার কাজে ত্রুটি ধরা পড়লে ৭ লাখ ফর্মা বাতিল করা হয়েছে।
  • 📌 ১৪টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান নোটিশে: অনিয়মের অভিযোগে ১৪টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 পিডিআই প্রতিষ্ঠানও নোটিশে: বইয়ের মান যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকা ইনডিপেনডেন্ট ইন্সপেকশন সার্ভিসেস বিডিকেও নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 ৩১ কোটি বই ছাপা হবে: আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক্-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপা হবে।
  • 📌 ১৩৩টি ছাপাখানা জড়িত: বই ছাপার কাজ চলছে ১৩৩টি ছাপাখানায়, যার অধিকাংশ ঢাকার মাতুয়াইলে অবস্থিত।

📰 বিস্তারিত

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন গত সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকার ছয়টি ছাপাখানায় পরিদর্শন করেন। তিনি বইয়ের গুণগত মান ও ছাপার কাজের অগ্রগতি যাচাই করেন। এনসিটিবির সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবইয়ে ৮০ জিএসএম এবং মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবইয়ে ৭০ জিএসএম কাগজ ব্যবহারের শর্ত রয়েছে দরপত্রে। কিন্তু কিছু ছাপাখানায় এর চেয়ে কম জিএসএমের কাগজে বই ছাপার অভিযোগ উঠেছে। ব্যবহৃত কালি ও বাঁধাই নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেছেন, ‘রোডম্যাপ অনুযায়ী বই ছাপার কাজ এগিয়ে চলছে। এতে কোনো রকম ব্যত্যয় পেলেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। ইতিমধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করা হয়েছে। ফর্মার মান খারাপ পেলে সঙ্গে সঙ্গেই কেটে দেওয়া হচ্ছে।’

অনিয়মের বড় জায়গা হলো কাগজ ও কালির মান। দরপত্রে নির্দিষ্ট জিএসএমের কাগজের কথা বলা হলেও তা মানছে না অধিকাংশ মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান। অনেক মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার করা কাগজের উজ্জ্বলতা ও স্থায়িত্বেও ঘাটতি রয়েছে। দরপত্রে নির্ধারিত ব্র্যান্ডের কালি ব্যবহারের পরিবর্তে নিম্নমানের কালি ব্যবহার করা হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কালির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হলে তা নকল বলে শনাক্ত হয়েছে। বইয়ের বাঁধাইয়ে ত্রুটি পাওয়া যাচ্ছে। এনসিটিবির তথ্যমতে, পিডিআইয়ের ছাড়পত্র পাওয়া কিছু মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের কাগজ পরে পরীক্ষা করে নির্ধারিত মান পাওয়া যায়নি।

এনসিটিবির তথ্যমতে, পাঠ্যবই ছাপায় অনিয়মের জন্য আনন্দ প্রেস, রেদওয়ানী প্রেস, মেঘদূত প্রেস, লিখন আর্ট প্রেস, সাগরিকা, ন্যাশনাল প্রেস, সরকার, আনোয়ারা প্রেস, বাংলাদেশ ডিজিটাল, আনোয়ার, আমিন, মুত্তাহিদা, দশদিশা প্রেসকেও শোকজ করা হয়েছে।

"রোডম্যাপ অনুযায়ী বই ছাপার কাজ এগিয়ে চলছে। এতে কোনো রকম ব্যত্যয় পেলেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। ইতিমধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করা হয়েছে। ফর্মার মান খারাপ পেলে সঙ্গে সঙ্গেই কেটে দেওয়া হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মাতুয়াইল), নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী, বগুড়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা (এনসিটিবি চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ লাখ ফর্মা বাতিল, ১৪টি প্রতিষ্ঠান নোটিশে, ৩১ কোটি বই ছাপা হবে, ১৩৩টি ছাপাখানা জড়িত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖