📌 ভোলার লালমোহন উপজেলার ফয়জুল আলম মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান পেলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়েন। ভেরিফিকেশনের অস্পষ্ট কারণ দেখিয়ে তার নাম চূড়ান্ত গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি
ভোলার লালমোহন উপজেলার ফয়জুল আলম মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়ার কারণে চরম হতাশায় পড়েছেন। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ার কারণে তার নাম চূড়ান্ত গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলার লালমোহন উপজেলার ফয়জুল আলম মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান পেলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়েন
- 📌 ২৫৬ জন চূড়ান্ত উত্তীর্ণের মধ্যে লালমোহন উপজেলার ৪৩ জনের মধ্যে ফয়জুল আলম ছাড়া বাকি সবাই নিয়োগপত্র পেয়েছেন
- 📌 ফয়জুল আলমের বয়স শেষ হয়ে যাওয়ায় আবার আবেদন করার সুযোগও নেই
- 📌 ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, চারজন শিক্ষকের বিষয়ে অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চরটিটিয়া এলাকার ফয়জুল আলম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তবে ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ার কারণে তার নাম চূড়ান্ত গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ফয়জুল আলমের বাবা কাজী মো. নূরুল ইসলামের ছেলে তিনি।
ফয়জুল আলম জানান, ‘আমার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ বা ফৌজদারি মামলার রেকর্ড নেই। উপজেলা পর্যায়ে মেধা তালিকায় আমার অবস্থান দ্বিতীয়। আমার কাগজপত্রেও কোনো সমস্যা নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হবে- এমন প্রত্যাশায় একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাকরিও ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পাওয়ায় বর্তমানে আমি হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ভেরিফিকেশনে কোনো এক ‘অদৃশ্য কারণ’ দেখিয়ে আমার চাকরির সুযোগ নষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে। যদি মেধার মূল্যায়ন না করে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি করা হয়, তাহলে আমার মতো সাধারণ শিক্ষার্থীদের এত কষ্ট করে পড়াশোনা ও চাকরির প্রস্তুতি নিয়ে কী লাভ হবে?’
ফয়জুল আলমের পরিবারে স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা ও ভাই-বোন রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমার আবেদনের বয়সও শেষ হয়ে গেছে। তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি- নিয়োগের বিষয়টি যেন পুনর্বিবেচনা করে আমার নাম গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করে আমাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।’
"আমার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ বা ফৌজদারি মামলার রেকর্ড নেই। আমার কাগজপত্রেও কোনো সমস্যা নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হবে- এমন প্রত্যাশায় একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাকরিও ছেড়ে দিয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলা জেলা, লালমোহন উপজেলা, বদরপুর ইউনিয়ন, চরটিটিয়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফয়জুল আলম, কাজী মো. নূরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫৬ জন চূড়ান্ত উত্তীর্ণ, ৪৩ জন লালমোহন উপজেলার উত্তীর্ণ, ৫ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!