📌 এস এম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নড়াইলে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শতাধিক শিশু অংশগ্রহণ করে এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতি নিয়ে চিত্রাঙ্কন করে। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম প্রধান অতিথি ছিলেন
বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নড়াইলের শিশুদের মধ্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসন ও মৃত্যুবার্ষিকী উদ্যাপন কমিটির উদ্যোগে এস এম সুলতান কমপ্লেক্সের শিশু স্বর্গে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় শতাধিক শিশু অংশগ্রহণ করে। শিশুদের চিত্রাঙ্কিত বিষয়গুলির মধ্যে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, ফুল-ফল, প্রকৃতি, গ্রামীণ জীবন ও পরিবেশ এবং নৌকাবাইচসহ বিভিন্ন বিষয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এস এম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নড়াইলে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 শতাধিক শিশু অংশগ্রহণ করে এবং জাতীয় পতাকা, ফুল-ফল, প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবন নিয়ে চিত্রাঙ্কন করে
- 📌 প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আহসান মাহমুদ রাসেল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক বিমানেশ চন্দ্র বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব
- 📌 শিল্পী এস এম সুলতান ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদকসহ অসামান্য সম্মাননা লাভ করেন
📰 বিস্তারিত
এস এম সুলতান কমপ্লেক্সের শিশু স্বর্গে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় শিশুদের রংতুলিতে উঠে আসে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, ফুল-ফল, প্রকৃতি, গ্রামীণ জীবন ও পরিবেশ এবং নৌকাবাইচসহ নানা বিষয়। এস এম সুলতান কমপ্লেক্সের শিশু স্বর্গে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় শিল্পী এস এম সুলতানের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও অসামান্য শিল্পকর্মের স্মৃতি জাগ্রত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আহসান মাহমুদ রাসেল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক বিমানেশ চন্দ্র বিশ্বাস, এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালার কিউরেটর তন্দ্রা মুখার্জি, সহকারী কিউরেটর মেহেদী হাসান রানা, এস এম সুলতান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য সুলতান মাহমুদসহ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুলতানপ্রেমীরা।
চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইল শহরের মাছিমদিয়া এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিল্পকলায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা এবং ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন। ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি চিরনিদ্রায় শুয়ে যান। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে নড়াইলে তাঁর নিজ বাড়ির আঙিনায় নির্মিত হয়েছে এস এম সুলতান কমপ্লেক্স।
"চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় শিশুদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এস এম সুলতানের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও অসামান্য শিল্পকর্মের স্মৃতি জাগ্রত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: এস এম সুলতান কমপ্লেক্স, শিশু স্বর্গ, নড়াইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম, এস এম সুলতান, শিশু প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ বছর, ৯ অক্টোবর, শতাধিক শিশু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!