📌 শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নিম্নমানের পাঠ্যবই সরবরাহকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, দেশে শিক্ষা মান উন্নয়নের জন্য মিড ডে মিল কর্মসূচি সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে এবং বিদেশি মুদ্রণশিল্প থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা হবে
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নিম্নমানের পাঠ্যবই সরবরাহকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পাঠ্যপুস্তকের মান নিশ্চিত করতে কোনো ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে বাতিল ও নষ্ট করা হয়েছে যেসব নিম্নমানের বই পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, নিম্নমানের বই সরবরাহকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।
- 📌 ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, আগামী বছরের বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ে নিম্নমানের কাগজ ও কালি ব্যবহারের অভিযোগ।
- 📌 ১৫০টি উপজেলায় মিড ডে মিল কর্মসূচি চালু রয়েছে; ভবিষ্যতে সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে।
- 📌 শিক্ষার্থীদের জন্য কুপনব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
- 📌 ৫০০টি বিশ্বমানের বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে শাখা খোলার জন্য আইন সংশোধনের কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী।
📰 বিস্তারিত
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ‘কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, পাঠ্যপুস্তক ছাপায় কোনো ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, কাগজ, কালি, ছাপাখানা—কোনো ক্ষেত্রেই মান কমিয়ে দেওয়া হবে না। নিম্নমানের বই সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশীয় মুদ্রণশিল্পকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ বছর কোনো বিদেশি কোম্পানিকে মুদ্রণের কাজ দেওয়া হয়নি।
মন্ত্রী জানান, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমানে ১৫০টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল কর্মসূচি চালু রয়েছে। ভবিষ্যতে এ কর্মসূচি সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য কুপনব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ক্যানটিন থেকে কুপন দিয়ে নিজেদের খাবার কিনতে পারবে। খাদ্যতালিকায় নতুন খাবার যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার লক্ষ্যে খাবার সরবরাহের প্রক্রিয়া বিকেন্দ্রীকরণের চিন্তাও রয়েছে। প্রথমে কয়েকটি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে পরে সারা দেশে বাস্তবায়ন করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রত্যেক উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে তৃতীয় ভাষা চালু করা হবে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দুই সেট করে দুই জায়গা থেকে প্রস্তুত করা হবে—একটি বিজি প্রেস এবং অন্যটি আর্মি সিকিউরিটি প্রেস থেকে। শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে পরীক্ষা গ্রহণের সময় নষ্ট না হয়, সে জন্য সময়মতো পরীক্ষা নেওয়া হবে। বর্ষাকালীন দুর্যোগ এড়ানোর লক্ষ্যে পরিকল্পনা করা হয়েছে।
"বাংলাদেশকে এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ক্রস বর্ডার এডুকেশন সিস্টেম চালু করা হবে। যেসব বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিশ্বের শীর্ষ ৫০০-এর মধ্যে রয়েছে, সেগুলো বাংলাদেশে শাখা খুলতে চাইলে অনুমোদন দেওয়ার সুযোগ তৈরিতে আইন সংশোধন করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০টি উপজেলা, ৫০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!