📌 শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্মেলনে বলেছেন, ভবিষ্যতের অর্থনীতির চাহিদা পূরণে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার সমন্বয় অপরিহার্য। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় রূপকল্প ও চীনের সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন
চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলনে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, একাডেমিক শিক্ষা ছাড়া ব্যবহারিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার সমন্বয় অপরিহার্য। তিনি ১৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অধিবেশনে এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ভবিষ্যতের অর্থনীতিতে একাডেমিক শিক্ষা যথেষ্ট নয় — প্রয়োজন ব্যবহারিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার সমন্বয়
- 📌 চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ৪০টির বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী ও ১০০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন
- 📌 বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীনের সফরের পর শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার হয়েছে
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ চীনের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে টিভেট খাত আধুনিক করবে
- 📌 তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তিনটি আহ্বান জানান: শিক্ষাব্যবস্থাকে অভিযোজনক্ষম করা, কারিগরি শিক্ষাকে জাতীয় অর্থনীতি অনুযায়ী অভিযোজিত করা এবং অংশীদারিত্বমূলক সহযোগিতা
📰 বিস্তারিত
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর ২০২৬) চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ হলো জনগণ এবং মানবসম্পদই জাতীয় অগ্রগতির মূল ভিত্তি। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটালাইজেশন ও সবুজ প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছি, যেখানে পাঠ্যক্রম বাস্তব শিল্প খাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। শিক্ষকদের দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে হবে এবং শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিল্প-সংযুক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করবে।’ তিনি আরও বলেন, জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো সরাসরি কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ তৈরি করবে।
বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ৪০টির বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১০০টির বেশি দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ইউনেসকো প্রতিনিধি, শিল্প খাতের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ও কারিগরি শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চীনের শিক্ষামন্ত্রী হুয়াই জিনপেং, চীনের স্টেট কাউন্সিলের ভাইস প্রিমিয়ার দিং শুয়েশিয়াং, তিয়ানজিনের মেয়র ঝাং গং এবং মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আহমাদ জাহিদ হামিদি।
"আমরা এমন একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছি, যেখানে পাঠ্যক্রম বাস্তব শিল্প খাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। শিক্ষকদের দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে হবে এবং শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিল্প-সংযুক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চীনের তিয়ানজিন, মেইজিয়াং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিভিশন সেন্টার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০টি দেশের শিক্ষামন্ত্রী, ১০০টি দেশের প্রতিনিধিদল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!