📌 দুহাতা শিক্ষক আলতাফ হোসেন 'দুঃখু মিয়া' পা দিয়ে লেখা শিক্ষক হিসেবে নিজের পৈতৃক জমিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন কিন্ডারগার্টেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসার পর জেলা প্রশাসক পরিদর্শন করে উচ্চবিদ্যালয়ে রূপান্তরের আশ্বাস দিয়েছেন
দুহাতা শিক্ষক আলতাফ হোসেন ‘দুঃখু মিয়া’ পা দিয়ে লেখা শিক্ষক হিসেবে নিজের পৈতৃক জমিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন’। এই প্রতিষ্ঠানটি সারা দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসার পর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া পরিদর্শন করে উচ্চবিদ্যালয়ে রূপান্তরের আশ্বাস দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পা দিয়ে লেখা শিক্ষক আলতাফ হোসেন ‘দুঃখু মিয়া’ নিজের পৈতৃক জমিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন’
- 📌 ১৪৫ শিক্ষার্থী নিয়ে শিশুশ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করছেন তিনি
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসার পর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া পরিদর্শন করেন
- 📌 জেলা প্রশাসক উচ্চবিদ্যালয়ে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন
- 📌 দুঃখু মিয়া বলেন, ‘সরকারপ্রধান আমার এই বিদ্যালয় সম্পর্কে জেনেছেন, এতেই আমি আনন্দিত’
📰 বিস্তারিত
জন্ম থেকেই দুহাতা হলেও শিক্ষক আলতাফ হোসেন ‘দুঃখু মিয়া’ পা দিয়ে লেখার মাধ্যমে শিক্ষা জীবন চালিয়ে গেছেন। তিনি পা দিয়ে লেখেই মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও ডিগ্রি পাস করেছেন। সরকারি বা বেসরকারি চাকরির জন্য আবেদন করলেও কোনো প্রতিষ্ঠান তাকে নিয়োগ দেয়নি। শেষ পর্যন্ত নিজের পৈতৃক জমিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন’।
২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কিন্ডারগার্টেনে বর্তমানে ১৪৫ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। শিশুশ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করছেন দুঃখু মিয়া। তিনি পা দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে লেখে প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসার পর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া সোমবার দুপুরে নরসিংদী সদর উপজেলার পাঁচদোনায় বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। জেলা প্রশাসক দুঃখু মিয়ার জীবন-সংগ্রামের গল্প শুনেন এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানের অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন। এ সময় তিনি দুঃখু মিয়ার হাতে অনুদান এবং শিক্ষার্থীদের গাছের চারা, স্কুলব্যাগ ও খেলার সামগ্রী তুলে দেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘গণমাধ্যমে আলতাফ হোসেন দুঃখু মিয়ার প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরপরই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাঁর জন্য কী করা যায়। তাই আজ বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে এসে তাঁর জীবনের গল্প শুনেছি, স্বপ্ন জানতে চেয়েছি।’
দুঃখু মিয়া বলেন, ‘সরকারপ্রধান আমার এই বিদ্যালয় সম্পর্কে জেনেছেন, এতেই আমি আনন্দিত। স্বপ্ন দেখি, আমার এই বিদ্যালয় একদিন উচ্চবিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হবে। আজ জেলা প্রশাসক বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করায় স্বপ্নপূরণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।’
"সরকারপ্রধান আমার এই বিদ্যালয় সম্পর্কে জেনেছেন, এতেই আমি আনন্দিত। স্বপ্ন দেখি, আমার এই বিদ্যালয় একদিন উচ্চবিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নরসিংদী সদর উপজেলা, পাঁচদোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলতাফ হোসেন ‘দুঃখু মিয়া’, জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪৫ (শিক্ষার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!