📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদন ছাড়া স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ: ডাকসু প্রশাসনের আইন ভঙ্গ করছে কি?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদন ছাড়া স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ: ডাকসু প্রশাসনের আইন ভঙ্গ করছে কি?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অনুমোদন ছাড়া 'আর্তনাদ' নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছে ডাকসু। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দাবি করে, ডাকসুর এই কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন-কানুন ভঙ্গ করে। এছাড়াও সংগ্রহশালায় মুহম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি রাখার বিষয়টি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অনুমোদন ছাড়া একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। এই স্মৃতিস্তম্ভের নাম 'আর্তনাদ'। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দাবি করে, এই নির্মাণ কাজে কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি এবং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন-কানুন ভঙ্গ করে। এছাড়াও, ডাকসু গত সেপ্টেম্বরে সংগ্রহশালায় ভাষা আন্দোলনের ঘটনার সূত্রে মুহম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি রাখার বিষয়টি বিতর্কের কেন্দ্রে রেখেছে, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অনুমোদন ছাড়া 'আর্তনাদ' নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছে ডাকসু।
  • 📌 ডাকসু আগে 'নির্ভীক জুলাই' নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছিল, যাও অনুমোদন ছাড়া করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. ইসরাফিল রতন বলেছেন, ডাকসুর এই কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামো ও শৃঙ্খলাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী, স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের মতো বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া ডাকসুর একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।
  • 📌 ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মাদ দাবি করেছেন, দুটি স্মৃতিস্তম্ভের বিষয়ে ডাকসুর নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছিল।

📰 বিস্তারিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বুধবার অনুমোদন ছাড়া 'আর্তনাদ' নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। এই স্মৃতিস্তম্ভের নির্মাণ কাজে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. ইসরাফিল রতন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "ডাকসু যা করছে, তা দ্বৈত প্রশাসনের মতো মনে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যদি একটি পক্ষ প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাহলে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাঠামো ও শৃঙ্খলা দুটোই প্রশ্নের মুখে পড়ে।"

এই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পাশাপাশি, ডাকসু আগে 'নির্ভীক জুলাই'-এর স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছিল, যাও অনুমোদন ছাড়া করা হয়েছিল। গত সেপ্টেম্বরে সংগ্রহশালায় ভাষা আন্দোলনের ঘটনার সূত্রে মুহম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। একই সঙ্গে সংগ্রহশালা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উল্লেখযোগ্য ছবি অপসারণের কারণে বিষয়টি বেশ আলোচিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মোজাদ্দেদী আলফেসানী বলেছেন, "তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধান মানেনি। তবে আমরা বিধিবিধান না মেনে কোনো কিছু করতে চাই না। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর অনুচ্ছেদ ২৪ (ক) অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি ও তহবিল ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সিন্ডিকেটের ওপর ন্যস্ত। একইভাবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড রেগুলেশনসের চতুর্দশ অধ্যায়ের ৪ নম্বর ধারার নোট অনুযায়ী, ছাত্র সংসদকে যেকোনো সিদ্ধান্ত উপাচার্যের নির্দেশনা সাপেক্ষে নিতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভাষ্য, এ বিধানের কারণে ক্যাম্পাসে স্থাপনা নির্মাণের মতো বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া ডাকসুর একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।

"এ (আর্তনাদ) স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো ধরনের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ডাকসু যা করছে, তা দ্বৈত প্রশাসনের মতো মনে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যদি একটি পক্ষ প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাহলে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাঠামো ও শৃঙ্খলা দুটোই প্রশ্নের মুখে পড়ে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইসরাফিল রতন, মুহম্মদ আলী জিন্নাহর, শেখ মুজিবুর রহমান, মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মাদ
  • 📌 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: অনুমোদন ছাড়া 'আর্তনাদ' ও 'নির্ভীক জুলাই' স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖