📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ৪৮ শিক্ষার্থী ও ২ শিক্ষক ডিনস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী চিন্তার আহ্বান জানান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে গত তিন বছরের শিক্ষাবর্ষে (২০২১, ২০২২ ও ২০২৩) ১৬টি বিভাগের ৪৮ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক ডিনস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন। আজ সোমবার সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৪৮ শিক্ষার্থী ও ২ শিক্ষক** পেলেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড — সর্বশেষ ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
- 📌 **প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর** ছিলেন প্রধান অতিথি
- 📌 **উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম** বলেন, শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও সাধনায় আরও নিবিষ্ট হতে হবে
- 📌 **১৬টি বিভাগের শিক্ষার্থী** থেকে নির্বাচিত ৪৮ জনের মধ্যে ২০২১ সালে ১৪ জন, ২০২২ সালে ১৭ জন ও ২০২৩ সালে ১৭ জন শিক্ষার্থী পুরস্কার পেয়েছেন
- 📌 **অনুষ্ঠানে** উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্যসহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা
📰 বিস্তারিত
সকালে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক আবদুল্লাহ্ আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। জাতীয় সংগীত ও ধর্মগ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বিভাগীয় চেয়ারম্যানরা অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
বিকেলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। প্রধান অতিথি অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু প্রচলিত জ্ঞান অনুসরণ করলেই চলবে না; প্রশ্ন করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে নাগরিকত্ববোধ, পেশাগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা তৈরি করা।” তিনি আরও বলেন, “গবেষণার মাধ্যমে নতুন চিন্তা ও তত্ত্ব সৃষ্টি করে বিশ্বজ্ঞানভান্ডারে বাংলাদেশের অবদান বাড়াতে হবে।”
উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “এই পুরস্কার শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি। তবে স্বীকৃতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের দায়িত্বও আরও বেড়ে গেছে। সাফল্যের এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে গবেষণা ও অধ্যয়নে আরও নিবিষ্ট হতে হবে।” তিনি উল্লেখ করেন, “সীমিত সুযোগ ও অর্থায়নের মধ্যেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকরা আন্তর্জাতিক মানের কাজ করছেন। গবেষণার পরিবেশ আরও গতিশীল করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।”
ডিন কাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য কেবল তার অবকাঠামো বা অর্জনের পরিসংখ্যানে মাপা যায় না; বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো তার মেধাবী শিক্ষার্থীরা। ডিনস অ্যাওয়ার্ড শিক্ষার্থীদের সেই মেধা ও একাডেমিক উৎকর্ষের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।”
"শিক্ষার্থীদের শুধু প্রচলিত জ্ঞান অনুসরণ করলেই চলবে না; প্রশ্ন করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে নাগরিকত্ববোধ, পেশাগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা তৈরি করা।"
অনুষ্ঠানে জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ ও বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি সুজান ভাইজও বক্তব্য রাখেন। বিকেলে সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক উন্মুক্ত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ডিন কাজী মাহবুবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮ শিক্ষার্থী, ২ শিক্ষক, ১৬টি বিভাগ, ১৪ জন (২০২১), ১৭ জন (২০২২)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!