📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জিনাত হুদাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। অধ্যাপক জিনাত হুদা দাবি করেন, অভিযোগ পরিকল্পিত এবং রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য তদন্ত প্রতিবেদন অপেক্ষায় রয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জিনাত হুদাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে। বুধবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে অধ্যাপক জিনাত হুদা অভিযোগটি পরিকল্পিত এবং রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জিনাত হুদাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধ্যাপক জিনাত হুদার বিরুদ্ধে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেছে।
- 📌 অধ্যাপক জিনাত হুদা দাবি করেছেন, ছয়টি অভিযোগের মধ্যে কোনটিই প্রমাণিত হয়নি এবং শিক্ষক সমিতির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং তার চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে অভিযোগ আনা হয়েছে।
- 📌 গত মার্চে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন 'সাদা দল' জিনাত হুদাকে গ্রেপ্তার এবং বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছিল।
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী প্রথম আলোকে বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে অধ্যাপক জিনাত হুদাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে অধ্যাপক জিনাত হুদাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী প্রথম আলোকে বলেছেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে অধ্যাপক জিনাত হুদাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
অধ্যাপক জিনাত হুদা প্রথম আলোকে বলেছেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা একটি অভিযোগও তারা প্রমাণ করতে পারেনি। মোট ছয়টি অভিযোগ ছিল, কিন্তু ছয়টি অভিযোগই সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। শিক্ষক সমিতির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং আমাকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য ছিল। আমাকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে এখন তারা অমেধাবীদের সুযোগ করে দিতে চাচ্ছে।”
গত বছরের মার্চে জিনাত হুদার বিরুদ্ধে বিচারের দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, “বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতাকে নিয়ে বিষোদ্গার, নেতিবাচক মন্তব্য, গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতা ও শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধি হয়ে গণভবনে উপস্থিত হয়ে শেখ হাসিনার গণহত্যাকে সমর্থন দেওয়ায় জিনাত হুদাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
"আমার বিরুদ্ধে আনা একটি অভিযোগও তারা প্রমাণ করতে পারেনি। মোট ছয়টি অভিযোগ ছিল, কিন্তু ছয়টি অভিযোগই সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। শিক্ষক সমিতির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং আমাকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক জিনাত হুদা, সহ-উপাচার্য মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ছয়টি অভিযোগ, সাময়িক বহিষ্কার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!