📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুব নিকাব পরা ছাত্রীকে 'মৌলবাদী' ও 'সন্ত্রাসী' বলে আখ্যা দিলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগে তাকে ক্লাস থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিভাগীয় কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষককে আর ক্লাস করাতে দেওয়া হবে না
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুব নিকাব পরা এক ছাত্রীকে ‘মৌলবাদী’ ও ‘সন্ত্রাসী’ বলে আখ্যা দিলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগে তাকে ক্লাস থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের পর বিভাগীয় জরুরি একাডেমিক কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় শিক্ষককে আর ক্লাস করাতে দেওয়া হবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাবি ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুব নিকাব পরা ছাত্রীকে ‘মৌলবাদী’ ও ‘সন্ত্রাসী’ বলে আখ্যা দেন
- 📌 শিক্ষার্থীদের অভিযোগে বিভাগীয় জরুরি একাডেমিক কমিটি সভায় শিক্ষককে ক্লাস থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়
- 📌 শিক্ষক ছাত্রীকে আক্রমণ করতে পারেন এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ
- 📌 বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে
- 📌 শিক্ষককে ক্লাস পুনর্বণ্টন করে অন্য শিক্ষকদের দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাবি ইংরেজি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের (২০১৯-২০ সেশন) ক্লাসে নেকাব পরে আসা এক ছাত্রীকে শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুব ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ (মৌলবাদী) ও ‘সন্ত্রাসী’ বলে মন্তব্য করেন বলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ উঠে। শিক্ষক ছাত্রীকে আক্রমণ করতে পারেন এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। পরে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় জরুরি একাডেমিক কমিটির সভা ডাকা হয়।
সভায় শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও সাম্প্রতিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একটি রেজল্যুশন নেওয়া হয়। সেই রেজল্যুশনের ভিত্তিতে শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের কোর্সগুলো পুনর্বণ্টন করা হয় এবং কোর্সগুলো অন্য শিক্ষকদের দেওয়া হয়। বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। তিনি আরও বলেন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান বা বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী উপাচার্য, একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।
"শিক্ষার্থীদের একটি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জরুরি একাডেমিক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও সাম্প্রতিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একটি রেজল্যুশন নেওয়া হয়। সেই রেজল্যুশনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কোর্সগুলো পুনর্বণ্টন করা হয়েছে এবং কোর্সগুলো অন্য শিক্ষকদের দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাসনিম সিরাজ মাহবুব (শিক্ষক), ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী (চেয়ারম্যান), শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর, ৭ অক্টোবর, ১৫তম ব্যাচ (২০১৯-২০ সেশন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!