📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সামনে শিক্ষক ড. শহিদুল ইসলামের ছেলে সাদমান সাকিবের গাড়ি ধাক্কায় ছয় মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আহত হন। রিকশায় পড়ে গুরুতর অবস্থায় তাঁদের ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা গাড়ি ভাঙচুর ও মারধর করে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সামনে শিক্ষক ড. মো. শহিদুল ইসলামের প্রাইভেট গাড়ি ধাক্কায় ছয়জন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আহত হন। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় রিকশায় পড়ে আহতদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে গাড়ি ভাঙচুর করে এবং গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের মারধর করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সামনে গাড়ি ধাক্কায় ছয়জন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আহত হন — জাহিদুল ইসলাম হৃদয়, কানিজ ফাতেমা, তাসনিয়া বেগম, মিফতাহুল, তাসফিয়া তাবাসসুম ও সিদরাতুল।
- 📌 দুর্ঘটনায় রিকশায় পড়ে আহতদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
- 📌 গাড়ি চালাচ্ছিলেন গণিত বিভাগের শিক্ষক ড. মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে সাদমান সাকিব, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
- 📌 প্রথমবারের মতো গাড়ি চালানো শেখার সময় সাকিব বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘুরছিলেন, যখন গাড়ি রিকশা ও শিক্ষার্থীদের সাথে ধাক্কা লাগে।
- 📌 দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা গাড়ি ভাঙচুর ও গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের মারধর করে। প্রক্টর কার্যালয়ে অবস্থানরত সাকিবের বিরুদ্ধে বিচারের দাবি তোলেন আহত শিক্ষার্থীদের সহপাঠীরা।
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতন বলেছেন, দুর্ঘটনায় কোনো বড় আকারের দুর্ঘটনা ঘটেনি, তবে শিক্ষার্থীদের মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়টি উদ্বেগজনক।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ ও মল চত্বরসংলগ্ন গেটের সামনে গাড়ি ধাক্কায় ছয়জন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম হৃদয়, কানিজ ফাতেমা, তাসনিয়া বেগম, মিফতাহুল, তাসফিয়া তাবাসসুম ও সিদরাতুল — সবাই ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিম রহমান জানান, বিকট শব্দ শুনে দেখেন গাড়িটি রিকশায় জোরে ধাক্কা দিয়েছে। রিকশায় থাকা শিক্ষার্থীরা ছিটকে পড়ে এবং কয়েকজন আহত হন।
গাড়ি চালাচ্ছিলেন গণিত বিভাগের শিক্ষক ড. মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে সাদমান সাকিব, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। সাকিব প্রথমবারের মতো গাড়ি চালানো শেখার সময় বাবার গাড়ি নিয়ে ক্যাম্পাসে ঘুরছিলেন। একপর্যায়ে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সামনে এলে গাড়িটির সঙ্গে রাস্তায় চলাচলকারী শিক্ষার্থীদের ধাক্কা লাগে।
দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে গাড়িটি ভাঙচুর করেন এবং গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের মারধরের ঘটনাও ঘটে। সাকিব প্রক্টর কার্যালয়ে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিচারের দাবিতে আহত শিক্ষার্থীদের সহপাঠীরা প্রক্টর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।
"আমি শুনলাম দুর্ঘটনার ঘটনাটি। কয়েকজন শিক্ষার্থী রিকশা থেকে পড়ে গেছে। আল্লাহ বাঁচিয়েছে যে কোনো ধরনের বড় অ্যাক্সিডেন্ট হয় নাই।"
— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতন
দুর্ঘটনার পর গাড়ি ভাঙচুর ও মারধরের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ‘অ্যাক্সিডেন্ট তো হতেই পারে। এখন ওই শিক্ষকের ছেলে হোক বা যেকোনো ব্যক্তিই হোক, তাকে মেরে ফেলার উপক্রম হয়ে যায়, এটাই আমাদের ঝামেলা।’
গণিত বিভাগের শিক্ষক ড. মো. শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবে, তিনি তা মেনে নেবেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ ও মল চত্বর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাহিদুল ইসলাম হৃদয়, কানিজ ফাতেমা, তাসনিয়া বেগম, মিফতাহুল, তাসফিয়া তাবাসসুম, সিদরাতুল, সাদমান সাকিব, ড. মো. শহিদুল ইসলাম, প্রক্টর ইসরাফিল রতন, ফাহিম রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন আহত শিক্ষার্থী, ১১টা ২০ মিনিট, ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষ, ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষ, ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!