📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনীম সিরাজ মাহবুব ভিডিও বার্তায় জানান, শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরা শিক্ষার্থীকে পোশাক পরিবর্তন বা নিকাব খুলতে বলেননি। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীর মুখমণ্ডল ঢাকা থাকায় যোগাযোগে অসুবিধা হচ্ছিল। বিভাগ কর্তৃপক্ষ তাঁর ক্লাস থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনীম সিরাজ মাহবুব ৭ অক্টোবরের শ্রেণিকক্ষে ঘটে যাওয়া নিকাব বিষয়ক ঘটনার বিস্তারিত জানান। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, কোনো শিক্ষার্থীকে নিকাব খুলতে বা পোশাক পরিবর্তন করতে বলেননি। শিক্ষার্থীর মুখমণ্ডল ঢাকা থাকায় যোগাযোগে অসুবিধা হচ্ছিল বলে তিনি জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে নিকাব পরা শিক্ষার্থীর সাথে যোগাযোগে অসুবিধা হলে শিক্ষক তাসনীম সিরাজ মাহবুব নিজের অস্বস্তি প্রকাশ করেন।
- 📌 তিনি দাবি করেন, কোনো শিক্ষার্থীকে নিকাব খুলতে বা পোশাক পরিবর্তন করতে বলেননি। শিক্ষার্থীর মুখমণ্ডল ঢাকা থাকায় যোগাযোগে অসুবিধা হচ্ছিল বলে তিনি জানান।
- 📌 শিক্ষক ভিডিও বার্তায় বলেন, শিক্ষার্থী ক্লাস ত্যাগ করার পর তিনি তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পরিবারের অসুস্থ সদস্যের অস্ত্রোপচারের কারণে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেননি।
- 📌 বিভাগ কর্তৃপক্ষ শিক্ষককে ১০ অক্টোবর তার সব কোর্স অন্য শিক্ষকদের মধ্যে বণ্টন করে দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
- 📌 শিক্ষক ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বক্তব্য না শুনেই বিভাগীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্স ফাইনাল সেমিস্টারের ক্লাসে নিকাব পরা এক শিক্ষার্থীর সাথে যোগাযোগে অসুবিধা হলে সহযোগী অধ্যাপক তাসনীম সিরাজ মাহবুব নিজের অস্বস্তি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীর মুখমণ্ডল ঢাকা থাকায় তাঁকে শনাক্ত করতে এবং চোখে চোখ রেখে যোগাযোগ করতে অসুবিধা হচ্ছিল। শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে পাঠদান গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেন।
তাসনীম সিরাজ মাহবুব ভিডিও বার্তায় জানান, শিক্ষার্থীরা তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার পর বিভাগ কর্তৃপক্ষ তাঁর ক্লাস থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বক্তব্য না শুনেই বিভাগ তাঁর সব কোর্স অন্য শিক্ষকদের মধ্যে বণ্টন করে দিয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে নিজের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ এবং সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থী ক্লাস ত্যাগ করার পর তিনি তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের একজন গুরুতর অসুস্থ সদস্যের অস্ত্রোপচারের কারণে তিনি সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেননি। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীকে খোঁজার জন্য সহপাঠীদের মাধ্যমে বারবার খবর পাঠান এবং করিডরে প্রায় ১০ মিনিট অপেক্ষা করেন। তবে শিক্ষার্থী বেরিয়ে না আসায় সরাসরি দুঃখ প্রকাশ করতে পারেননি।
তাসনীম সিরাজ মাহবুব ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের পোশাকের স্বাধীনতা, পরিচয় শনাক্ত করা এবং শ্রেণিকক্ষে কার্যকর যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মতবিনিময় হয়েছিল। তিনি কোরআন শরিফের সুরা আন-নূরের ৩১ নম্বর আয়াতের কথা উল্লেখ করে বলেন, শালীনতা ও সৌন্দর্য প্রদর্শন সীমিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ক্লাসে বোরকা পরা অন্য শিক্ষার্থীদের উদাহরণ দিয়ে বলেন, মুখমণ্ডল দৃশ্যমান রেখেও শালীন পোশাকে পর্দা করা যায়।
"আমি কোনো শিক্ষার্থীকে পোশাক পরিবর্তন করতে বলিনি। শুধু চোখ দেখতে না পাওয়ায় অস্বস্তি হচ্ছিল। শিক্ষার্থী ক্লাস ত্যাগ করার পর আমি তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে চেয়েছিলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহযোগী অধ্যাপক তাসনীম সিরাজ মাহবুব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ১০ অক্টোবর (ভিডিও প্রকাশের তারিখ), ৩৪ বছর (শিক্ষকতা জীবন), ৩১ নম্বর (কোরআনের আয়াত), ১০ মিনিট (অপেক্ষা সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!