📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হল দখল বন্ধের পেছনে ছাত্রশিবিরের নীতিশাসন: এস এম ফরহাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হল দখল বন্ধের পেছনে ছাত্রশিবিরের নীতিশাসন: এস এম ফরহাদ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 সারাবাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনের পর কোনো হল বা রুম দখল না হওয়ার পেছনে ছাত্রশিবিরের নীতির কথা বলেছেন ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ। তিনি বলেছেন, তাদের সংগঠন ২০২৪ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার পর হল দখল থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে

কিশোরগঞ্জ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ বলেছেন, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নির্বাচনের পর হল দখল একটি ঐতিহ্যবাহী ঘটনা। কিন্তু ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটেনি। তিনি দাবি করেন, ছাত্রশিবিরের নীতির কারণে এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর কোনো হল বা রুম দখল হয়নি — এস এম ফরহাদ
  • 📌 "আমরা নিজেরা হল দখল করব না, কাউকে দখল করতে দেব না" — ছাত্রশিবিরের নীতির কারণে এই সাফল্য
  • 📌 ১৯৭১ সাল থেকে প্রত্যেক নির্বাচনের পর সরকারি দল ক্যাম্পাস দখল করেছে — এস এম ফরহাদ
  • 📌 ঢাবির ১৮টি হলের শতাধিক দোকানে আগের চাঁদাবাজি বন্ধ করা হয়েছে
  • 📌 "আমরা সহিংসতামুক্ত ক্যাম্পাস উপহার দিয়েছি" — এস এম ফরহাদ
  • 📌 শিক্ষার্থীদের মতামত ও সমালোচনা স্বাগত্য — ছাত্রশিবিরের দাবি

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে গুরুদয়াল কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের আয়োজিত নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত এস এম ফরহাদ শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচনের পর হল দখল একটি প্রথাগত ঘটনা। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের পর থেকে প্রত্যেক নির্বাচনের পর সরকারি দল ক্যাম্পাস দখল করেছে। কিন্তু ২০২৪ সালের নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের বিজয়ী হওয়ার পর কোনো হল বা রুম দখল করা হয়নি। তিনি বলেন, “একমাত্র ২০২৪ সালের নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রম। একটি সংগঠন দুই শতাধিক আসন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, কিন্তু কোনো ক্যাম্পাসের কোনো হল বা রুম দখল করার সাহস করেনি। কারণ সেখানে ছাত্রশিবির ছাত্র সংসদে বিজয়ী হয়ে বলেছে, ‘আমরা নিজেরা দখল করব না, কাউকে দখল করতে দেব না’।”

ডাকসুর জিএস বলেন, “আমি, আমার ভিপি ও এজিএস কেউ হলে সিট নিয়ে থাকিনি। আমাদের প্রতিনিধি হিসেবে হলে থাকার সুযোগ ছিল। কিন্তু আমাদের মাস্টার্স শেষ হওয়ায় আমরা সিট ছেড়ে দিয়েছি। বলেছি, এসব সিটে শিক্ষার্থীরা থাকবে, আমরা থাকব না।” তিনি আরও বলেন, ঢাবির আশপাশের মার্কেট ও হলের দোকানগুলোতে আগে চাঁদাবাজি হতো। কিন্তু এখন সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, গত এক বছরে ছাত্রশিবিরের সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে সহিংসতামুক্ত ক্যাম্পাস উপহার দেওয়া।

৯০-এর দশকে ছাত্রদল জয়ী হওয়ার পর নির্বাচনের কয়েক দিনের মধ্যেই বোমাবাজি, গোলাগুলি ও ওপেন ফায়ারের ঘটনা ঘটত। এস এম ফরহাদ বলেন, “পত্রিকা খুললে এখনো বোমা হামলা, গোলাগুলি, ওপেন ফায়ার, আহত ও ক্যাম্পাস বন্ধের খবর পাওয়া যাবে। এগুলোই ছিল সেখানকার নিয়মিত ঘটনা। আমরা সহিংসতামুক্ত ক্যাম্পাস উপহার দিয়েছি। এটা আমাদের কমিটমেন্ট ছিল এবং আমরা সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।”

শিক্ষার্থীদের মতামত ও সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গণ্য শিক্ষার্থীদের জন্য মতামত দেওয়ার পথ সবসময় উন্মুক্ত। সংগঠনের পেজ, ই-মেইল, ফোন নম্বর কিংবা স্থানীয় দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে তারা পরামর্শ ও অভিযোগ জানাতে পারবেন। তাও না পেলে প্রকাশ্যে সমালোচনা করবেন, এটা আপনাদের দায়িত্ব। আপনাদের সমালোচনা ও ফিডব্যাক আমাদের পাথেয়। আপনারা নিঃসংকোচে শিবিরের বিরুদ্ধে আঙুল তুলবেন, কথা বলবেন, সমালোচনা করবেন। এটাই আমাদের বড় প্রাপ্তি যে আপনারা আমাদের নিয়ে ভাবেন এবং সমালোচনা করেন।”

"আমরা নিজেরা হল দখল করব না, কাউকে দখল করতে দেব না। একটি সংগঠন দুই শতাধিক আসন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, কিন্তু কোনো ক্যাম্পাসের কোনো হল বা রুম দখল করার সাহস করেনি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, গুরুদয়াল কলেজ শাখা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এস এম ফরহাদ (ডাকসু জিএস), আশিকুর রহমান (গুরুদয়াল কলেজ শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর, ১০টা, ২টা, ১৮টি হল, শতাধিক দোকান

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖