📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাবির হলের নাম পরিবর্তন: শেখ মুজিবুর রহমান হলে আবার ফিরছে পুরাতন নামফলক

ঢাবির হলের নাম পরিবর্তন: শেখ মুজিবুর রহমান হলে আবার ফিরছে পুরাতন নামফলক

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেটে আবার পুরাতন নামফলক ফিরছে। শিক্ষার্থীদের দাবি ও প্রশাসনের সিদ্ধান্তে 'শহীদ ওসমান হাদি হল' নাম মুছে 'শেখ মুজিবুর রহমান হল' নাম লেখা হচ্ছে। হল সংসদের সহসভাপতি মুসলিমুর রহমানের তথ্য অনুযায়ী, নাম পরিবর্তনের জন্য শিক্ষার্থীদের ৮০০-এরও বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছিল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। হলের মূল গেটে 'শহীদ ওসমান হাদি হল' নামফলক মুছে ফেলা হয়েছে এবং আবার পুরাতন নাম 'শেখ মুজিবুর রহমান হল' লেখা হচ্ছে। আজ বুধবার দুপুরে এই পরিবর্তন শুরু হওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেটে 'শহীদ ওসমান হাদি হল' নামফলক মুছে ফেলা হয়েছে এবং আবার 'শেখ মুজিবুর রহমান হল' নাম লেখা হচ্ছে।
  • 📌 হল সংসদের সহসভাপতি মো. মুসলিমুর রহমান জানান, নাম পরিবর্তনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ৮০০-এরও বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছিল।
  • 📌 ৫ আগস্টের পর থেকে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হলের নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, কিন্তু সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে নাম আবার পরিবর্তন করা হচ্ছে।
  • 📌 ঢাবি উপাচার্য ও প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
  • 📌 হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান জানান, নাম পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানতে পারেননি, তবে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া নাম পরিবর্তন করা যাবে না।
  • 📌 ঢাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ইসরাফিল রতন বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবিতেই হলের নাম 'শহীদ ওসমান হাদি হল' করা হয়েছিল, কিন্তু প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া তা কার্যকর হয়নি।

📰 বিস্তারিত

মো. মুসলিমুর রহমান, হল সংসদের সহসভাপতি, জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হলের নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। তিনি বলেন, '৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নাম পরিবর্তনের দাবি জানাই। তখন প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর নাম লেখার দাবি আসে।' মুসলিমুর রহমান আরও জানান, 'আজ নাম পরিবর্তনের বিষয়টি আমি ফেসবুকে দেখতে পাই। পরে হল প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, এই হলের অফিশিয়াল নাম এখনো আগের নামেই আছে। সিন্ডিকেট থেকে আবার পরিবর্তন করা হলে সে অনুযায়ী নামকরণ করা হবে।'

হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, 'আমি কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিলাম। এ কারণে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবগত নই। তবে বিষয়টি জানার পর খোঁজ নিয়ে দেখেছি, সেখানে (হল গেটে) এখনো নতুন কোনো নাম লেখা হয়নি। বর্তমানে হলে পরিচ্ছন্নতার কাজ, দোকানের সামনের ঢালাই ও অন্যান্য সংস্কারকাজ চলছে। এসব কাজের অংশ হিসেবেই সেখানে কিছু পরিবর্তন করা হচ্ছে কি না, সেটিও আমি বিস্তারিতভাবে জেনে দেখছি।'

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ইসরাফিল রতন জানান, 'শহীদ ওসমান হাদি হল নামটি শিক্ষার্থীরা লিখেছিলেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই নামের কোনো অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তাই হল প্রশাসন আগের নামটিই প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।'

৫ আগস্টের পর থেকে হলের নাম পরিবর্তনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা প্রথমে 'কাজী নজরুল ইসলাম হল' লেখা একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছিল। পরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর তাঁর নামে হলটির নামকরণের দাবি ওঠে। এরপর হল সংসদের পক্ষ থেকে হলটির নাম 'শহীদ ওসমান হাদি হল' করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। নাম পরিবর্তনের বিষয়টি চূড়ান্ত করার জন্য পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও সিনেটের প্রক্রিয়ায় যায়। গত ২৯ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক সিনেট অধিবেশনে শেখ পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা কয়েকটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। তবে সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় বিষয়টি আবার সিন্ডিকেটে পাঠানোর কথা জানানো হয়।

"আমরা কোনো ফ্যাসিবাদের নামে হলের নামকরণের পক্ষে নই। এ বিষয়ে আমরা উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলব এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মুসলিমুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, ইসরাফিল রতন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ আগস্ট, ৮০০ শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর, ২৯ জুন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖