📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরামিক শিল্পে মাটির মায়া: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিল্পীদের বহুমাত্রিক সৃজনশীলতা

সিরামিক শিল্পে মাটির মায়া: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিল্পীদের বহুমাত্রিক সৃজনশীলতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরামিক বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের ‘মাটির মায়া’ শিরোনামের প্রদর্শনীতে মাটি থেকে বহুমাত্রিক শিল্পভাষার উদ্ভাবন দেখা গেল। ৯ জন শিল্পীর ৯টি আলাদা স্বর মাটির একই উপাদান থেকে সৃষ্টি করেছে। টেরাকোটা থেকে ভাস্কর্য, পটারি থেকে চিত্রকলা — প্রতিটি কাজে সৃজনশীল অনুসন্ধানের চমক লক্ষ্য করা যায়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সিরামিক বিভাগের বাহাত্তরতম ব্যাচের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের ‘মাটির মায়া’ শিরোনামের সিরামিক প্রদর্শনীতে মাটির বহুমাত্রিক সম্ভাবনা উদঘাটিত হয়েছে। এই প্রদর্শনীতে মাটি শুধু ব্যবহারিক উপাদান থেকে সৃষ্টি হয়েছে শিল্পীর অনুভূতি, স্মৃতি ও কল্পনার ভাষা। প্রতিটি শিল্পীর কাজে অদ্ভুত সৃজনশীলতা লক্ষ্য করা যায়, যেখানে মাটি ভাস্কর্য, টেরাকোটা ফলক, চিত্রকলা ও বিমূর্ত সংকেতে রূপান্তরিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরামিক বিভাগের ৯ জন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ‘মাটির মায়া’ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন, যেখানে প্রত্যেকের কাজে মাটির একই উপাদান থেকে আলাদা শিল্পভাষা সৃষ্টি হয়েছে
  • 📌 তাবাসসুম ঐশীর কাজে টেপা পুতুলের লোকজ চরিত্রকে সমকালীন নন্দনতত্ত্বের সাথে যুক্ত করে রাকু-গ্লেজের ক্র্যাকলড পৃষ্ঠে ভূমিনকশা সৃষ্টি করেছে, যা লোকশিল্পকে নতুন নান্দনিক পরিসরে নিয়ে গেছে
  • 📌 আয়শা সিদ্দিকা ঊষার ‘উদগীরণ’ শিরোনামের কাজে পটারির গায়ে ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে অন্তর্গত চাপ ও আবেগের মাটির শরীরে দৃশ্যমান রূপ দেওয়া হয়েছে
  • 📌 বিশাল সাহার ‘ঐতিহ্যের বৃত্ত’ কাজে টেরাকোটা ফলকে ঐতিহ্যকে সরলীকৃত নকশায় আনা হয়েছে, যেখানে জটিলতা কমিয়ে মৌলিক আকারকে সামনে রেখেছে
  • 📌 একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাবনা ও নির্মাণকৌশলের সাদৃশ্য থাকলেও প্রত্যেকের আলাদা স্বর খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা প্রদর্শনীতে সার্থক হয়েছে

📰 বিস্তারিত

দীর্ঘ দুই-তিন দশক আগে মৃৎশিল্প বিভাগে মাটি মূলত ব্যবহারিক বস্তু নির্মাণে ব্যবহৃত হত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে এখন মাটি তরুণ শিল্পীদের হাতে বহুমাত্রিক সমকালীন শিল্পভাষার উপাদান হয়ে উঠেছে। ‘মাটির মায়া’ প্রদর্শনীতে দেখা যায়, পটারি শুধু পটারি নেই — কখনো তা ভাস্কর্য, কখনো টেরাকোটা ফলক, আবার কখনো চিত্রের মতো দৃশ্যপট। একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাবনার ধরন ও নির্মাণকৌশলের সাদৃশ্য থাকলেও প্রত্যেকের নিজস্ব স্বর খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা প্রদর্শনীতে সার্থক হয়েছে।

তাবাসসুম ঐশীর কাজে টেপা পুতুলের লোকজ চরিত্রকে পুনর্নির্মাণ করা হয়নি — বরং তার বসার ভঙ্গি, টেক্সচার এবং পাখির সঙ্গে পুতুলের কথোপকথনের অভিব্যক্তিকে সমকালীন নন্দনতত্ত্বের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। রাকু-গ্লেজের ক্র্যাকলড পৃষ্ঠ পুতুলের শরীরে ভূমিনকশার মতো চরিত্র সৃষ্টি করেছে, যা লোকশিল্পের পরিচিত অবয়বকে নতুন নান্দনিক পরিসরে নিয়ে গেছে।

আয়শা সিদ্দিকা ঊষার ‘উদগীরণ’ কাজে পটারির গায়ে ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে অন্তর্গত চাপ ও আবেগের মাটির শরীরে দৃশ্যমান রূপ দেওয়া হয়েছে। এই কাজে কোনো অদৃশ্য অন্তর্গত সত্তা বাইরে বেরিয়ে আসতে চাইছে — কি আবেগের উদগীরণ? কি চিন্তার? শিল্পী দর্শককে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে দিয়েছেন। ‘স্পর্শ’ শিল্পকর্মে ঊষা টেরাকোটা ফলককে রঙিন চিত্রপটের মতো ব্যবহার করেছেন, যেখানে দুটি মানব-ফিগার আদর ও ভালোবাসার মুহূর্ত ধরে রেখেছে।

"মাটি যখন শিল্পীর হাতে অনুভূতি ও কল্পনার ভাষা হয়ে ওঠে, তখন তার চরিত্র বদলে যায়। সেই বদলে যাওয়া মাটির ভাষাই ‘মাটির মায়া’ প্রদর্শনীতে দেখা গেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চারুকলা অনুষদ, সিরামিক বিভাগ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাবাসসুম ঐশী, আয়শা সিদ্দিকা ঊষা, বিশাল সাহা (সিরামিক শিল্পী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ জন শিল্পী, ১টি প্রদর্শনী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖