📌 ঢাকা জেলা প্রশাসন জাপানের ‘ওসোজি’ মডেল অনুসরণ করে ২১টি স্কুলে পরিচ্ছন্নতা অভ্যাস গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘ক্লিন স্কুল চ্যালেঞ্জ’ প্রকল্প শুরু হয়েছে
ঢাকা জেলা প্রশাসন জাপানের ‘ওসোজি’ মডেলের অনুকরণে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছে। ‘ক্লিন স্কুল চ্যালেঞ্জ’ প্রকল্পের আওতায় ২১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, শ্রমের মর্যাদা ও পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার ২১টি স্কুলে জাপানের ‘ওসোজি’ মডেলের অনুকরণে পরিচ্ছন্নতা অভ্যাস গড়ে তোলা শুরু হয়েছে
- 📌 প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট স্কুল পরিষ্কার রাখার কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের ছোট দলে বিভক্ত করা হয়েছে
- 📌 ‘আমার বাসা, আমার দায়িত্ব’ কর্মসূচিতে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা চেকলিস্ট দেওয়া হবে
- 📌 বর্জ্য পৃথকীকরণ ও জৈব সার তৈরির বিষয়েও শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হবে
- 📌 সেরা বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করার প্রস্তাব রয়েছে
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা। তিনি বলেন, ওসোজি মডেল শুধু পরিচ্ছন্নতা নয়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলার একটি কার্যকর পদ্ধতি। শিক্ষার্থীরা নিজের স্কুল পরিচ্ছন্ন রাখলে তা পরিবার ও সমাজেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম জানান, প্রতিদিন স্কুলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে শ্রেণিকক্ষ, করিডর ও পাঠাগার পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব দেওয়া হবে। তবে টয়লেট ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মীরা। তিনি বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা শুধু স্কুল পরিষ্কার রাখার বিষয় নয়, এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও পরিবেশের প্রতি যত্নশীল মনোভাব গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।’
বিভাগীয় কমিশনার মিঞা বলেন, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন স্কুল চ্যালেঞ্জ’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কর্মীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ জরুরি। তিনি আরও জানান, স্কুলে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান ও সমস্যা সমাধানে নেওয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি চেকলিস্টে লিপিবদ্ধ করা হবে।
"পরিচ্ছন্নতা শুধু বিদ্যালয় পরিষ্কার রাখার বিষয় নয়, এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, শ্রমের মর্যাদা ও পরিবেশের প্রতি যত্নশীল মনোভাব গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।"
বর্জ্য পৃথকীকরণ ও পুরস্কার ব্যবস্থা নিয়ে জেলা প্রশাসক জানান, বিদ্যালয়গুলোতে পচনশীল, পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও অন্যান্য বর্জ্য আলাদা করে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে। ডাস্টবিন ব্যবহারের পাশাপাশি পচনশীল বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরির বিষয়েও শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হবে। পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হবে। সেরা বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের সনদ, বই, শিক্ষা উপকরণ অথবা গাছের চারা দিয়ে পুরস্কৃত করার প্রস্তাব রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা, জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১টি স্কুল, ১৫-২০ মিনিট পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, ৮ জুলাই (প্রকল্প শুরু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!