📌 চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুরে ১৬ দিনের ব্যবধানে তিন শিক্ষার্থীর পানিতে ডুবে মৃত্যু ঘটে। সংস্কারের নামে দায়সারা কাজ ও নকশার ত্রুটির কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে পুকুরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল সংলগ্ন পুকুরে পানিতে ডুবে তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটেছে। গত ১৬ দিনের ব্যবধানে ঘটা এ তিন দুর্ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুকুরটির সংস্কার কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পুকুরটির নকশায় থাকা ত্রুটির কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটের পুকুরে ১৬ দিনে তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটে
- 📌 মৃত তিন শিক্ষার্থী হলেন অর্ণব সাহা, শান্ত দেব ও চমক দত্ত
- 📌 পুকুরটির সংস্কার কাজ চলছিল এলজিইডির মাধ্যমে
- 📌 প্রকল্পের বরাদ্দ ছিল প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা
- 📌 পুকুরটির ঢালের অনুপাত ছিল ১:২, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল সংলগ্ন পুকুরে গত ১৬ দিনের ব্যবধানে তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটে। প্রথম দুর্ঘটনা ঘটে গত ২৮ জুলাই। যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহা পুকুরটির পানিতে ডুবে মারা যান। পরে ১২ আগস্ট একইভাবে মৃত্যু হয় তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শান্ত দেব এবং কম্পিউটারবিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের চমক দত্তের। শান্ত ও চমক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রথম দুর্ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পানিতে ডুবে মৃত্যু ঠেকাতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। দ্বিতীয় দুর্ঘটনার পর পুকুরটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সেখানে প্রবেশ ও সাঁতারে নিষেধাজ্ঞা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর তিন দিনের মধ্যে পুকুরের পানি সেচে তুলে নেওয়া হয়।
পুকুরটির সংস্কার কাজ শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরে। ‘সারা দেশে পুকুর ও খাল উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় এলজিইডির মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রকল্পের বরাদ্দ ছিল প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। তবে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়। তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর তদন্ত শুরু হওয়ায় বর্তমানে সংস্কার কাজ বন্ধ রয়েছে।
"পুকুরটির পার্শ্বের ঢাল ১:২-এর পরিবর্তে ১:৩ হলে পাড়ের কাছাকাছি নিরাপত্তা আরও ভালো পাওয়া যেত। পুকুরের আদর্শ প্রস্থচ্ছেদ বজায় রাখাও জরুরি। কাজের সময় সঠিক তদারকি এবং পরবর্তী সময়ে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম
- 👥 মৃত শিক্ষার্থী: অর্ণব সাহা, শান্ত দেব, চমক দত্ত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন শিক্ষার্থী, ১৬ দিন, ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!