📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরাজগঞ্জের কলেজ অধ্যক্ষের শ্রেণিকক্ষে আবাসিক কক্ষের মতো সাজসজ্জা: শিক্ষকদের অসন্তোষ

সিরাজগঞ্জের কলেজ অধ্যক্ষের শ্রেণিকক্ষে আবাসিক কক্ষের মতো সাজসজ্জা: শিক্ষকদের অসন্তোষ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের সরকারি হাজী কোরপ আলী মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম শ্রেণিকক্ষে খাট, চেয়ার ও টেবিল রাখার কারণে শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। অধ্যক্ষ দাবি করেন তিনি রাতযাপন করেন না, তবে শিক্ষকরা দৃষ্টিকটু মনে করছেন। প্রশাসকরা বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন

সিরাজগঞ্জের সরকারি হাজী কোরপ আলী মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলমের শ্রেণিকক্ষের ব্যবহার শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। কলেজের ২১১ নম্বর শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের বসার জন্য বেঞ্চ ও টেবিল থাকার কথা থাকলেও সেখানে খাটসহ আবাসিক কক্ষের মতো সাজসজ্জা দেখা গেছে। শিক্ষকদের অভিযোগ, অধ্যক্ষ সরকারি বাসাভাড়া পাওয়ার পরও নিজের ব্যবহারের জন্য শ্রেণিকক্ষে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র রাখছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরাজগঞ্জের হাজী কোরপ আলী মেমোরিয়াল কলেজের ২১১ নম্বর শ্রেণিকক্ষে খাট, চেয়ার, টেবিল ও বালিশ রাখা হয়েছে — শিক্ষার্থীদের বসার জায়গা হিসেবে ব্যবহারের কথা থাকলেও তা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সাজানো হয়েছে।
  • 📌 অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেন, তিনি রাতযাপন করেন না, তবে শিক্ষকরা মনে করেন, সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরও শ্রেণিকক্ষে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র রাখা দৃষ্টিকটু।
  • 📌 শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে — তারা অধ্যক্ষের কর্মকাণ্ডকে "বিব্রতকর" বলে অভিহিত করেছেন।
  • 📌 কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপাশা হোসাইন বলেছেন, বিষয়টি প্রথম শুনেছেন এবং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
  • 📌 সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রোজিনা আক্তার বলেছেন, ইউএনওকে সরেজমিনে দেখতে বলেছেন এবং ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার সরকারি হাজী কোরপ আলী মেমোরিয়াল কলেজের ২১১ নম্বর শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের বসার জন্য বেঞ্চ ও টেবিল থাকার কথা থাকলেও সেখানে খাটসহ আবাসিক কক্ষের মতো সাজসজ্জা দেখা গেছে। কক্ষের এক কোণে স্টিলের র্যাকে শার্ট, প্যান্ট ও লুঙ্গি সাজানো রয়েছে। চার-পাঁচটি চেয়ার ও একটি টেবিলের ওপর পানির বোতল, খাবারের বাটি সহ নানা জিনিসপত্র রাখা হয়েছে। পাশেই বড় একটি খাট, বিছানার ওপর দুটি বালিশ রয়েছে। এই দৃশ্য দেখে মনে হয় এটি কোনো শোবার ঘর, কিন্তু এটি একটি শ্রেণিকক্ষ।

অভিযোগ রয়েছে, অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম এই কক্ষটি নিজের ব্যবহারের জন্য ব্যবহার করছেন। তিনি ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দিয়েছেন এবং জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষকদের মতে, তিনি সরকারি বাসাভাড়া পাওয়ার পরও শ্রেণিকক্ষে খাট, চেয়ার ও টেবিল রাখার কারণে তাদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। একজন শিক্ষক বলেছেন, “স্যার অনেক সিনিয়র একজন শিক্ষক। তিনি এর আগে অন্য কলেজেও ছিলেন। কিন্তু তাঁর কিছু কর্মকাণ্ড আমাদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে। সরকারি সুবিধা পাওয়ার পরও শ্রেণিকক্ষে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র রাখা আমাদের কাছে দৃষ্টিকটু মনে হয়।”

অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম শ্রেণিকক্ষে রাতযাপনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি কক্ষটিতে রাত কাটান না; মাঝেমধ্যে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য সেখানে জিনিসপত্র রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, কলেজে মৌখিক পরীক্ষা নিতে আসা অতিথি শিক্ষকদের থাকার ব্যবস্থার জন্যও কক্ষটি প্রস্তুত করা হয়েছে।

"কলেজে মৌখিক পরীক্ষা নিতে আসা অতিথি শিক্ষকদের থাকার ব্যবস্থার জন্যও কক্ষটি প্রস্তুত করা হয়েছে।"

শ্রেণিকক্ষ অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত ব্যবহারের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপাশা হোসাইন বলেছেন, “বিষয়টি আপনার মাধ্যমেই প্রথম শুনলাম। আমি বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেব।” সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রোজিনা আক্তার প্রথম আলোকে বলেছেন, “কামারখন্দের ইউএনওকে এ বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে বলব। সেই সঙ্গে এমনটি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা, হাজী কোরপ আলী মেমোরিয়াল কলেজ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম, কামারখন্দ ইউএনও বিপাশা হোসাইন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রোজিনা আক্তার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১১ (শ্রেণিকক্ষ নম্বর), ৮:৫৫ (সকালের সময়), ১৫ (বিসিএস পদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖