📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিভিল জজ পদে সুপারিশ: মেডিকেল ও আর্কিটেকচার ছেড়ে আইনে মেধা প্রদর্শন করেছেন স্বর্ণা

সিভিল জজ পদে সুপারিশ: মেডিকেল ও আর্কিটেকচার ছেড়ে আইনে মেধা প্রদর্শন করেছেন স্বর্ণা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শায়লা পারভীন স্বর্ণা ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। মেধাক্রমে ২৮তম স্থান অধিকার করে তিনি আইনে পড়াশোনা শুরু করার আগে মেডিকেল ও আর্কিটেকচার বিভাগে ভর্তি হলেও আগ্রহ ধরে রাখতে পারেননি। মায়ের অনুপ্রেরণা ও পরিকল্পিত প্রস্তুতির ফলেই তিনি এই সাফল্য অর্জন করেন

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শায়লা পারভীন স্বর্ণা ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। মেধাক্রমে ২৮তম স্থান অধিকার করে তিনি আইনে পেশাজীবন গড়ার স্বপ্নকে সত্য করে তোলেন। শিক্ষাজীবনের শুরু থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় সফল হলেও স্বর্ণা মেডিকেল ও আর্কিটেকচার বিভাগে আগ্রহ ধরে রাখতে পারেননি। পরে আইনে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তিনি বিচারক হওয়ার লক্ষ্যে অগ্রসর হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন শায়লা পারভীন স্বর্ণা, মেধাক্রমে ২৮তম স্থান অধিকার
  • 📌 মেডিকেল ও আর্কিটেকচার বিভাগে ভর্তি হলেও আগ্রহ ধরে রাখতে পারেননি, পরে আইনে পড়াশোনা শুরু করেন
  • 📌 ১৭তম বিজেএসে মাত্র ০.২৫ নম্বরের জন্য প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি, পরিকল্পিত প্রস্তুতির ফলেই সাফল্য
  • 📌 মায়ের অনুপ্রেরণা ও বিচারকদের দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে বিজেএস প্রস্তুতি শুরু করেন
  • 📌 প্রস্তুতিতে ‘সেভেন ল’ নোট ও ‘বিজেএস প্রিলি মাস্টার’ ব্যবহার করে আইন ও জেনারেল অংশে সফলতা অর্জন
  • 📌 ভাইভা প্রস্তুতিতে মানসিক শক্তি ও ডকুমেন্ট প্রস্তুতির ওপর জোর দেন, ফলাফল খুব ভালো হয়

📰 বিস্তারিত

শায়লা পারভীন স্বর্ণার শিক্ষাজীবনের শুরু রতনদিয়া রজনীকান্ত উচ্চবিদ্যালয়ে। সেখান থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেন। তবে আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার আগে তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে আর্কিটেকচারে ভর্তি হন। পরে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজেও ভর্তি হলেও কোনো বিভাগেই আগ্রহ ধরে রাখতে পারেননি। এরপর তিনি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে ভর্তি হন এবং এলএলবি ও এলএলএম সম্পন্ন করেন।

বিচারক হওয়ার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না স্বর্ণার। তবে আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তাঁর মা তাঁকে বলতেন, ‘আমার খুব শখ, জজের মা হব।’ মায়ের সেই ইচ্ছাই পরে স্বর্ণার নিজের লক্ষ্য হয়ে ওঠে। বিজেএসের প্রস্তুতির সময় তিনি কাজী নুসরাত আরিফ, বেলাল মুহাম্মদ, সাদিয়া আনজুম পূর্ণতাসহ অন্য বিচারকদের দেখে অনুপ্রাণিত হন।

১৭তম বিজেএসে মাত্র ০.২৫ নম্বরের জন্য প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি স্বর্ণা। পরীক্ষার হলে গিয়ে তিনি ১০০টি প্রশ্নের মধ্যে মাত্র একটি প্রশ্ন পরিচিত মনে করেছিলেন। ওই অভিজ্ঞতার পর তিনি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে পরিকল্পনার গুরুত্ব উপলব্ধি করেন। এরপর ১৮তম বিজেএসকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে প্রস্তুতি শুরু করেন। প্রস্তুতির সময় তাঁর নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ভাগনে ফাইয়াদ একদিন তাঁকে বলেছিলেন, ‘মম, এমনভাবে পড়বা যেন পত্রিকায় আসে। পত্রিকায় না আসলে হবে না।’ কথাটি তাঁর প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলে।

স্বর্ণা অঙ্কে দুর্বল হওয়ায় মাঝে মাঝে ভাগনে তাঁকে জ্যামিতিও বুঝিয়ে দিত। বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় করা ‘সেভেন ল’-এর একটি নোটও বিজেএস প্রিলিমিনারিতে কাজে লাগান। আইন অংশের জন্য ওই নোটের পাশাপাশি ‘বিজেএস প্রিলি মাস্টার’ পড়েছেন। জেনারেল অংশের প্রস্তুতিতে বিসিএস ও বিজেএসের পূর্ববর্তী বছরের প্রিলিমিনারি প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ অনুশীলন করেছেন। প্রিলিমিনারিতে আইনের ক্ষেত্রে তাঁর মূল ভরসা ছিল বার কাউন্সিলের সময় করা সেভেন ল-এর নোট এবং বিজেএস প্রিলি মাস্টার। জেনারেল অংশের জন্য তিনি বিসিএস ও বিজেএসের পূর্ববর্তী বছরের প্রিলি প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ পড়েছেন।

স্বর্ণা বলেন, ‘শুরু থেকে সিলেবাস বুঝে পড়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি এবং নিজের দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে কাজ করেছি। আইনের ক্ষেত্রে রিটেন প্রস্তুতি ছিল ধারাভিত্তিক। প্রতিটি আইনের ধারা বুঝে পয়েন্ট করে পড়তাম এবং প্রিভিয়াস ইয়ারের প্রশ্ন সলভ করতাম। এ ক্ষেত্রে নিয়মিত পরীক্ষা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। জেনারেল পার্টের ক্ষেত্রে প্রস্তুতির মূল অংশ ছিল বিসিএস এবং বিজেএসের প্রিভিয়াস রিটেন প্রশ্ন সলভ করা। পাশাপাশি সাম্প্রতিক ইস্যুগুলো দেখেছি। ভাইভা প্রস্তুতিতে মূলত নিজেকে শান্ত রাখা, মানসিকভাবে শক্ত থাকা এবং যা জানেন তা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার ওপর বেশি ফোকাস দিয়েছি। ডকুমেন্টস রেডি করা এবং নিজেকে শান্ত রাখার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। ফলে ভাইভাও খুব ভালো হয়েছিল।’

"প্রথমে নিজের আগ্রহ ও লক্ষ্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা তৈরি করতে হবে। অন্যের সাফল্যে প্রভাবিত না হয়ে নিজের সামর্থ্য ও আগ্রহ অনুযায়ী লক্ষ্য নির্ধারণ করা উচিত। ব্যর্থতা ও হতাশা আসতে পারে, এগুলোকে সাময়িক বাধা হিসেবে নিয়ে আবার প্রস্তুতিতে ফিরে আসতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা, নিজের ভুল ও দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা এবং লক্ষ্যে স্থির থাকাই গুরুত্বপূর্ণ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ঢাকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শায়লা পারভীন স্বর্ণা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮তম বিজেএস পরীক্ষা, মেধাক্রমে ২৮তম, জিপিএ-৫ (এসএসসি ও এইচএসসি), ১৭তম বিজেএসে ০.২৫ নম্বরের ব্যবধানে পরাজয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖