📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চুয়েটে শিক্ষক-কর্মচারী ‘সর্বাত্মক অসহযোগ’ ঘোষণা: নতুন উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছে

চুয়েটে শিক্ষক-কর্মচারী ‘সর্বাত্মক অসহযোগ’ ঘোষণা: নতুন উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ‘সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি’ শুরু করেছেন। নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমকে ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে তারা কর্মবিরতি অব্যাহত রাখছেন। শিক্ষার্থীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় তারা সরকারকে দ্রুত সমাধান করতে আহ্বান জানিয়েছেন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ‘সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি’ শুরু করেছেন। নতুন নিযুক্ত উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমকে ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে তারা কর্মবিরতি অব্যাহত রাখছেন। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তারা ঘোষণা দেন, পূর্বঘোষিত দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি ও অসহযোগ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ‘সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি’ শুরু করেছেন।
  • 📌 নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমকে প্রশাসনিক সহযোগিতা না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
  • 📌 শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. আহসানউল্লাহ বলেছেন, ‘বহিরাগতদের সহায়তায় উপাচার্যের ক্যাম্পাসে উপস্থিতি আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।’
  • 📌 শিক্ষার্থীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় তারা সরকারকে দ্রুত সমাধান করতে আহ্বান জানিয়েছেন।
  • 📌 গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য নিযুক্ত করা হয়।
  • 📌 উপাচার্য হাইয়েস মাইক্রোবাসে ‘শিক্ষক’ পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন।
  • 📌 শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনের তালা ভেঙে দিলে ভেতরে আটকা পড়েন ছাত্রদল নেতারা।
  • 📌 উপাচার্য ভবনে গিয়ে ছাত্রদল নেতাদের লাঞ্ছিত করা হয়।

📰 বিস্তারিত

চুয়েটের শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ‘সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি’ পালনের। সভা শেষে বেলা সোয়া তিনটায় সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. আহসানউল্লাহ বলেন, ‘বহিরাগতদের সহায়তায় উপাচার্যের ক্যাম্পাসে উপস্থিতির বিষয়টি আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার উপাচার্যকে বহন করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের চুয়েট পরিবার উনাকে উপাচার্য হিসেবে মেনে নিচ্ছে না। আজকে সন্ত্রাসীরা আমাদের শিক্ষার্থীদের বাসে হামলা করেছে। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হওয়ায় আমরা শঙ্কিত। আমরা চাই, সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংকট নিরসন করুক।’

গত ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরদিন থেকে অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। একই দিন থেকে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করে আসছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম সকালে হাইয়েস মাইক্রোবাসে করে ক্যাম্পাসে পৌঁছান। ফটকে তিনি ‘শিক্ষক’ পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। পরে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে উপাচার্য ভবনের তালা ভেঙে নিজের দপ্তরে যান। উপাচার্য ভবনে গিয়ে দেখা যায়, উপাচার্যের জন্য নির্ধারিত চেয়ারে বসে রয়েছেন শেখ শরীফুল আলম। তাঁর কক্ষে চুয়েট শাখা ছাত্রদল সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসাইন রয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, উপাচার্য ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর ফুল ও খাবার নিয়ে তাঁর দপ্তরে যাচ্ছিলেন ছাত্রদল নেতা বিপ্লব হোসাইন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাঁকে উপাচার্য ভবনে প্রবেশের সময় বাধা দেন। একপর্যায়ে তাঁর কাছ থেকে ফুল ও খাবার নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়। উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টার মধ্যে উপাচার্যকে কার্যালয় থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য আলটিমেটাম দেন তারা। পরের সময়ে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। ফটকে তালা দেওয়ায় ভেতরে আটকা পড়েন ছাত্রদল নেতারা।

"আমরা একসাথে ভেতরে প্রবেশ করেছি। সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে তাঁরা আন্দোলন করছেন। আজকে সকালেও ফুল নিয়ে আসার সময় আমাদের এক নেতাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।"

— ছাত্রদল সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মো. আহসানউল্লাহ, শেখ শরীফুল আলম, ওয়াসিফ রাশেদ, আবু সুফিয়ান আল সাবিত, বিপ্লব হোসাইন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ সেপ্টেম্বর, ১২ টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖