📌 চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) মাত্র ৫৬ দিনে নতুন উপাচার্য নিয়োগ করেছে। গত ২৭ জুলাই নিয়োগপ্রাপ্ত সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের পরিবর্তে খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য করা হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিস্মিত এবং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) মাত্র ৫৬ দিনের মধ্যে নতুন উপাচার্য নিয়োগ করেছে। এই অপ্রত্যাশিত পরিবর্তনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৭ জুলাই উপাচার্য হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের পরিবর্তে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) থেকে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রজ্ঞাপন আজ সোমবার জারি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটে ৫৬ দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বার উপাচার্য পরিবর্তন — সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের পরিবর্তে শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ
- 📌 নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম কুয়েটের ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক
- 📌 সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম জানান, ‘আমি কোনো ভুল জানতাম না, এ সিদ্ধান্ত আগে থেকে জানতাম না’
- 📌 শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, হঠাৎ পরিবর্তন প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ভাঙবে
- 📌 রাষ্ট্রপতি বা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন
📰 বিস্তারিত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শেখ শরীফুল আলম চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে চার বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত। তিনি মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে থাকবেন। তবে প্রজ্ঞাপনে উপাচার্য পরিবর্তনের কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম জানিয়েছেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি অনেক কাজ শুরু করেছিলাম। আজও দুটি সভায় অংশ নিয়েছি। অথচ এমন একটি সিদ্ধান্ত আসতে পারে, তা আমি জানতামই না।’ তিনি দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘অপ্রত্যাশিত’ উল্লেখ করে বলেছেন, ‘আগামীকাল আমার দায়িত্ব পালনের দুই মাসের কার্যক্রম তুলে ধরব। সেখানে কী কী কাজ করেছি, তার বিস্তারিত থাকবে। আমার কোনো ভুল থাকলে সেটি ধরিয়ে দেওয়া যেত।’
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই পরিবর্তনের প্রতি বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে। তারা জানিয়েছেন, সাবেক উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ বাড়িয়েছিলেন এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে হঠাৎ পরিবর্তন প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ভাঙবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলেছেন, একজন উপাচার্যকে কাজ করার পর্যাপ্ত সময় না দিলে তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ থাকে না।
চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. আহসান উল্লাহ বলেন, ‘এভাবে হঠাৎ করে উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল হয়ে যাচ্ছে। কোথা থেকে, কীভাবে নিয়োগ হচ্ছে, আমরা বুঝতে পারছি না। এসব আমাদের বোধগম্যের বাইরে। এভাবে চলতে থাকলে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ধুঁকে ধুঁকে চলবে।’ তিনি জানান, শিক্ষক সমিতি সভা করবে এবং পরবর্তী কার্যক্রম জানাবে।
"আমি অনেক কাজ শুরু করেছিলাম। আজও দুটি সভায় অংশ নিয়েছি। অথচ এমন একটি সিদ্ধান্ত আসতে পারে, তা আমি জানতামই না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম (সাবেক উপাচার্য), শেখ শরীফুল আলম (নতুন উপাচার্য), অধ্যাপক মো. আহসান উল্লাহ (চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬ দিন, ২৭ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!