📌 চুয়েটে উপাচার্য পরিবর্তনের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে শুক্রবার অনলাইনে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় উপাচার্য ছাড়া কোনো শিক্ষক সদস্য অংশ নেননি। সভায় কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে। শিক্ষার্থীদের শাটডাউন ও কর্মবিরতির ২৫তম দিনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) উপাচার্য পরিবর্তনের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় অনলাইনে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম ছাড়া কোনো শিক্ষক সদস্য অংশ নেননি। সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সিন্ডিকেট সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাহিদুর রহমান জানান, উপাচার্য ছাড়া চুয়েটের অন্য কোনো শিক্ষক সদস্য (ছয়জন) সভায় অংশ নেননি। সভায় কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা জানতে উপাচার্যের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটের সিন্ডিকেট সভায় উপাচার্য ছাড়া কোনো শিক্ষক সদস্য অংশ নেননি — মোট ১৫ সদস্যের মধ্যে শুধু উপাচার্য উপস্থিত ছিলেন
- 📌 উপাচার্য পরিবর্তনের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা ২৫তম দিনে শাটডাউন অব্যাহত রেখেছেন
- 📌 সিন্ডিকেট সদস্য জিয়াউদ্দীন বলেন, সভায় কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি — শুধু পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও যোগাযোগের ঘাটতি দূর করার আলোচনা হয়েছিল
- 📌 উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখার পর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ ক্যাম্পাস থেকে বের করে নিয়ে যায়
- 📌 সিন্ডিকেটের ১৫ সদস্যের মধ্যে ১৪ জনের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাদের মধ্যে পাঁচজন ছাড়া অন্যরা সাড়া দেননি
📰 বিস্তারিত
চুয়েটে উপাচার্য পরিবর্তনের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা সর্বাত্মক শাটডাউন ও অসহযোগ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন। এই আন্দোলনের মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় অনলাইনে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় উপাচার্য ছাড়া কোনো শিক্ষক সদস্য অংশ নেননি। সিন্ডিকেট সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাহিদুর রহমান জানান, উপাচার্য ছাড়া চুয়েটের অন্য কোনো শিক্ষক সদস্য (ছয়জন) সভায় অংশ নেননি। সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সিন্ডিকেটের অন্য সদস্য ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন জানান, সভায় বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতি দূর করার বিষয়েও সদস্যরা মতামত দিয়েছেন। তবে সভায় কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা জানতে উপাচার্যের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
চুয়েটে উপাচার্য পরিবর্তনের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে আন্দোলন শুরু হয়। এর মধ্যে গত সোমবার সকালে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে উপাচার্য ভবনের তালা ভেঙে নিজের দপ্তরে প্রবেশ করেন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। ওই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে ভবনের ভেতরে রেখেই ফটকে আবার তালা দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভের মুখে প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসন ও পুলিশ তাকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে নিয়ে যায়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ক্যাম্পাসে ফিরে সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন উপাচার্য।
"সভায় বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও যোগাযোগের ঘাটতি দূর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল"
— সিন্ডিকেট সদস্য ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম, জাহিদুর রহমান, মো. জিয়াউদ্দীন, মো. রাশিদুল হাসান, মো. মোস্তফা কামাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ (সিন্ডিকেট সদস্য), ২৫ (শাটডাউনের দিন), ৩০ (ঘণ্টা অবরুদ্ধ), ১৬ (অক্টোবর), ২২ (সেপ্টেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!