📌 চুয়েটে উপাচার্য পদে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ১১ দিনের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। ছুটির দিনেও বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। দাবি আদায় না হলে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা উপাচার্য পদে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ১১তম দিনে বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন। শুক্রবার ক্যাম্পাসে বেলা আড়াইটার দিকে শিক্ষার্থীরা মিলনায়তনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে প্রধান ফটকে শেষ হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটে শিক্ষার্থীরা ১১ দিনের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে
- 📌 বেলা আড়াইটায় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে
- 📌 শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন: ‘ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে যতদিন দাবি আদায় না হয়’
- 📌 মিছিলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী যুলকারনাইন মিহাদ বলেছেন: ‘আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি’
- 📌 মেকাট্রনিকস বিভাগের শিক্ষার্থী অরিন্দম দে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুতি জানিয়েছেন: ‘আমাদের একটা সমাধান দিন’
- 📌 গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনে এ পর্যন্ত ১১ দিন পেরিয়ে গেছে
- 📌 শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে মশালমিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শন ও প্রতিবাদী কনসার্ট
📰 বিস্তারিত
চুয়েটে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ শিক্ষার্থীরা উপাচার্য পদে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। গত ২১ সেপ্টেম্বর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব গ্রহণের ৫৬ দিনের মাথায় শিক্ষার্থীরা উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ এখনো অব্যাহত রয়েছে।
আন্দোলনের ১১তম দিনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়েছেন। যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী যুলকারনাইন মিহাদ বলেছেন, ‘আজ আমাদের আন্দোলনের ১১তম দিন। আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’
মেকাট্রনিকস ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী অরিন্দম দে বলেছেন, ‘আমরা সবাই একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি। আমরা এই অনিশ্চয়তার শেষ চাই। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুতি, আপনি হস্তক্ষেপ করে আমাদের একটা সমাধান এনে দিন। আমরা ক্লাসে ফিরতে চাই।’
আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। এগুলোতে রয়েছে মশালমিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শন, ‘৫৬ কেন’ স্লোগান, ‘শ্বেত শাড়ির গণসাক্ষ্য’, সাবেক উপাচার্যের মুখাবয়বের মুখোশ পরে মিছিল, চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ ও ‘প্রতিবাদী কনসার্ট’।
"আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস–পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।"
"আমরা সবাই একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি। আমরা এই অনিশ্চয়তার শেষ চাই। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুতি, আপনি হস্তক্ষেপ করে আমাদের একটা সমাধান এনে দিন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, যুলকারনাইন মিহাদ, অরিন্দম দে, শেখ শরীফুল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দিন, ৫৬ দিন, ২১ সেপ্টেম্বর, ২২ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!