📌 চুয়েটের শিক্ষার্থীরা উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। হুমকি ও চাপের মুখে তারা দাবি জানাচ্ছেন যে, আন্দোলন থামানো যাবে না। সোমবার রাতে বিক্ষোভ মিছিলে তারা ‘সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ স্লোগান দিয়েছেন
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা উপাচার্য পদে সরিয়ে দেওয়া সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। হুমকি ও চাপের মুখে তারা দাবি জানাচ্ছেন যে, আন্দোলন থামানো যাবে না। সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয় এবং স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটের শিক্ষার্থীরা উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আন্দোলন শুরু করেছেন।
- 📌 গত ২৭ জুলাই থেকে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী সায়েমকে ৫৬ দিনের মাথায় সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- 📌 শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাপ দেওয়ার অভিযোগ তুলে আন্দোলনকারীরা সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
- 📌 মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘এক দফা, এক দাবি—সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ ও ‘হুমকি দিয়ে আন্দোলন, থামানো যাবে না’ স্লোগান দেন।
- 📌 পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ হিল গালিব বলেন, ‘ভয় দেখিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না। আমরা সায়েম স্যারকে উপাচার্য হিসেবে ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালাবো।’
- 📌 শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন।
📰 বিস্তারিত
চুয়েট শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল হাছান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের দাবি ছিলো শুধুমাত্র সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করা। এর পর থেকে বিভিন্ন মহল থেকে চাপ আসছে। কিন্তু আমরা আমাদের দাবিতে অনড় থাকবো।’ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো, চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলগুলো স্বাধীনতা চত্বরে এসে জড়ো হয় এবং আবার একত্র হয়ে মিছিল বের করে ক্যাম্পাসের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা সমাবেশ করেন। সমাবেশে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ হিল গালিব বলেন, ‘আমাদের অনেককেই ভয় দেখানো হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমাদের পরিবারের সদস্যদেরও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তবে আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ভয় দেখিয়ে এই আন্দোলন থামানো যাবে না। ৫ আগস্টের পর যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ পেয়েছি, তা রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের।’
২১ সেপ্টেম্বর থেকে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীরা ‘লাল কার্ড’ প্রদর্শন, মশাল মিছিল, ‘৫৬ কেন’সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও একই দাবিতে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করছেন।
"আমরা যত চাপই পাই, সায়েম স্যারকে উপাচার্য হিসেবে ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালাব। ভয় দেখিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, শেখ শরীফুল আলম, অধ্যাপক আবুল হাছান, আসাদুল্লাহ হিল গালিব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ জুলাই, ৫৬ দিন, ১১ টা, ২২ শিক্ষাবর্ষ, ৫ আগস্ট, ২১ সেপ্টেম্বর, ২২ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!