📌 চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও কর্মচারী আন্দোলনের কারণে ১৯ দিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। উপাচার্য পদে নিয়োগপ্রাপ্ত শেখ শরীফুল আলমের অনুপস্থিতিতে যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে দুই দিনের জন্য রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যের দায়িত্বে কোনো পরিবর্তন না হওয়ার দাবি জানিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখছেন
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এখনো শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে অচলাবস্থায় রয়েছে। ১৯ দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়নি। প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এই অবস্থায়ই যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে দুই দিনের জন্য উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আগামীকাল রোববার থেকে এই দায়িত্ব পালন করবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটে ১৯ দিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত, প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলছে
- 📌 খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন অব্যাহত রাখছেন
- 📌 অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে ১১ ও ১২ অক্টোবর দুই দিনের জন্য রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে
- 📌 শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, উপাচার্য পদে আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল করা দরকার
- 📌 শিক্ষার্থী নাফিস হাসান বলেছেন, শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে, তালা খুলতে পারবেন শুধু সায়েম স্যার
📰 বিস্তারিত
গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটের উপাচার্য পদে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষার্থীরা এই নিয়োগের প্রতিবাদে পরদিন থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু করে দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও একই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন। উপাচার্য দপ্তরের ফটকে তালা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিক্ষোভের কারণে উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম ক্যাম্পাসে যেতে পারছেননি। তবে ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি রাষ্ট্রপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর যোগদানপত্র পাঠিয়ে উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছেন বলে জানান তিনি।
চুয়েট সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সভায় উপস্থিত হতে দুই দিন ঢাকায় অবস্থান করবেন। সেই সময়ের জন্যই অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে রুটিন দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। তিনি প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনা যায়, সে ব্যাপারে বোঝানোর চেষ্টা করব।’
শিক্ষার্থীদের একজন ও পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাফিস হাসান প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘নতুন উপাচার্য কাকে কী দায়িত্ব দিলেন, সেটি আমাদের আন্দোলনে কোনো প্রভাব ফেলবে না। আমরা সায়েম স্যারকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করছি, এই আন্দোলন চলবে, শাটডাউন কর্মসূচিও চলবে। উপাচার্য ভবনেও তালা থাকবে। সেই তালা শুধু সায়েম স্যারই খুলতে পারবেন।’
"শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনা যায়, সে ব্যাপারে বোঝানোর চেষ্টা করব"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক আরাফাত রহমান, শেখ শরীফুল আলম, আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, নাফিস হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ দিন, ১১ ও ১২ অক্টোবর, ২১ সেপ্টেম্বর, ২৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!