📌 চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ৫৬ দিনের উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে ফেরত দাবিতে একমাসের আন্দোলন চলছে। শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা শাটডাউন ও কর্মসূচি অব্যাহত রেখে সরকারের নীরবতা ও নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমের উপস্থিতি বাধা হিসেবে দেখছে। সরকার এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেয়নি
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ৫৬ দিনের উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে ফেরত দাবিতে প্রায় একমাস ধরে চলমান আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের এই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। সরকার এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেয়নি, যা আন্দোলনকারীদের জন্য নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমের উপস্থিতি বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫৬ দিনের উপাচার্য সায়েমের ফেরত দাবিতে চুয়েটে একমাসের আন্দোলন চলছে, শিক্ষাক্রম অচল হয়ে পড়েছে।
- 📌 শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা দাবি: সায়েম স্যার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন।
- 📌 নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেননি, অনলাইনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
- 📌 সরকারের নীরবতা: শিক্ষামন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
- 📌 ৫৬ দিনের উপাচার্য পদে ফেরত দাবি: শিক্ষক সমিতি সর্বাত্মক কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে, কিন্তু সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।
📰 বিস্তারিত
চুয়েটে ২৭ জুলাই আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় তাকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে শেখ শরীফুল আলমকে বসানো হয়। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আন্দোলন শুরু হলে শিক্ষার্থীরা লাগাতার শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। নতুন উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেননি, অনলাইনে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
আন্দোলনকারীদের দাবি, সায়েম স্যার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষা ও চাকরির সুযোগ পাওয়ার জন্য তিনি অনেক উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আন্দোলনে নামা এক শিক্ষার্থী বলেন, “সায়েম স্যার আমাদের জন্য শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়নের সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে কাজ করছিলেন।”
শিক্ষক সমিতি ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে। কিন্তু সরকারের কোনো পর্যায় থেকে তাদের সঙ্গে আলোচনার খবর পাওয়া যায়নি। কিছু আন্দোলনকারী মনে করেন, সায়েমকে সরানোর পেছনে রাজনৈতিক নেতাদের টানাপড়েন থাকতে পারে। বিশেষ করে চুয়েটের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এই ধারণা জোরদার করেছে।
"ভিসি হওয়ার বহু আগে, ২০০৫ সালে চুয়েটে শিক্ষকতা শুরুর সময় থেকে অধ্যাপক সায়েম স্যার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন।"
"চুয়েটের শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্বমানের শিক্ষা, গবেষণা, স্কলারশিপ ও চাকরির সুযোগ পায় সেলক্ষ্যে অনেক উদ্যোগ অধ্যাপক সায়েম নিয়েছেন বলেও দাবি এই শিক্ষার্থীর।"
"এগুলো আমাদের কাছে শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, উনার আগের কাজের ধারাবাহিকতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে এগুলো বাস্তবায়নের সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, শেখ শরীফুল আলম, শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬ দিন, ২১ সেপ্টেম্বর, ২৭ জুলাই, ২৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!