📌 চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য নিয়োগ সংকটে ২৩ দিনের আন্দোলন চলছে। শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্য নিয়োগ বাতিল ও সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল করার দাবি জানিয়ে শাটডাউন অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমকে অবরুদ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) উপাচার্য নিয়োগ সংকটে ২৩ দিনের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল ও সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল করার দাবি জানিয়ে শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরো তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটে ২৩ দিনের আন্দোলনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাই যুক্ত হয়েছে
- 📌 ২১ সেপ্টেম্বর সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু
- 📌 নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমকে অবরুদ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে
- 📌 ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাত্মক শাটডাউন চলছে
- 📌 ছয়টি বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত, সেশনজটের আশঙ্কা
- 📌 ২৫ অক্টোবর নিয়মিত কর্মদিবস শুরু হলেও উপাচার্য নিয়োগ সংকটের সমাধান না হলে শাটডাউন অব্যাহত থাকবে
📰 বিস্তারিত
চুয়েটের উপাচার্য নিয়োগ সংকটে শিক্ষার্থীরা ২৩ দিনের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। গত ২১ সেপ্টেম্বর সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও যুক্ত হয়ে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। আন্দোলনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। ছয়টি বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রয়েছে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে সেশনজটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে ১২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টায় মাইক্রোবাসে করে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেখা যায়। কিন্তু আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে তিনি উপাচার্যের কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরদিন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম ক্যাম্পাসে গিয়ে ৩০ ঘণ্টার অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উপাচার্যকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। তিনি এখনো সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়। উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল এবং সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল করাই তাদের একমাত্র দাবি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় সাবেক উপাচার্যকে অপসারণের সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশে সংকট তৈরি করেছে। যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আহনাব শাহরিয়ার অর্ণব বলেছেন, ‘আমাদের দাবি পূরণ হলে আন্দোলন শেষ হবে।’
"আমাদের দাবি পূরণ হলে আন্দোলন শেষ হবে"
আগামী ২৫ অক্টোবর নিয়মিত কর্মদিবস শুরু হলেও উপাচার্য নিয়োগ সংকটের সমাধান না হলে শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও, ৪৫ তম বিসিএসে সরকারি কর্ম কমিশনের চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও গেজেট থেকে বাদ পড়া প্রার্থীদের পুনঃগেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা। শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোন সিদ্ধান্ত না এলে আত্মাহুতির মতো কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, শেখ শরীফুল আলম, আহনাব শাহরিয়ার অর্ণব, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, মো. মাসুদ আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ দিন, ২১ সেপ্টেম্বর, ২২ সেপ্টেম্বর, ৫৬ দিন, ১২ অক্টোবর, ৩০ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!