📌 চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৭ দিনের অচলাবস্থায় রয়েছে। নতুন উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলম সার্কিট হাউসে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেও শিক্ষার্থীরা শাটডাউন অব্যাহত রেখেছে। বেতন-ভাতা আটকানোর প্রতিবাদে শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৭ দিনের অচলাবস্থায় রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার জন্য বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। তবে বৈঠকের পরও বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) শিক্ষার্থীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটের অচলাবস্থা ১৭ দিনে পৌঁছেছে, শিক্ষার্থীরা শাটডাউন অব্যাহত রেখেছে
- 📌 নতুন উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলম ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সার্কিট হাউসে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন
- 📌 ১ হাজার ৮৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীর সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা আটকানো হয়েছে
- 📌 ৬ অক্টোবর বেতন-ভাতা ছাড়ের দাবিতে শিক্ষক-কর্মচারী সোনালী ব্যাংক শাখা ঘেরাও করেন
- 📌 ৭ অক্টোবর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ১ হাজার ৮৭ জনের বেতন-ভাতা ছাড় দেয়
- 📌 সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শাটডাউন শুরু হয়
📰 বিস্তারিত
চুয়েটের অচলাবস্থা ১৭ দিনে পৌঁছেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। বৈঠকে আলোচিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থা নিরসন ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার বিষয়। তবে বৈঠকের পরও বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) শিক্ষার্থীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর অনলাইনে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেননি ড. শেখ শরীফুল আলম। এরপর থেকে তিনি প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে। সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। একই সঙ্গে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতিতে রয়েছেন। এতে ১৭ দিন ধরে চুয়েটের ক্লাস-পরীক্ষাসহ একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ রয়েছে।
অচলাবস্থার মধ্যেই নতুন উপাচার্যের নির্দেশে ১ হাজার ৮৭ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা আটকে যায়। গত ৬ অক্টোবর সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখাকে বেতন-ভাতা স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন উপাচার্য। তাঁর দাবি, পূর্বানুমোদন ছাড়া বেতন-ভাতার বিল ব্যাংকে পাঠানো হয়েছিল। এর প্রতিবাদে ৭ অক্টোবর সকালে বেতন-ভাতা ছাড়ের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। আন্দোলন শুরুর প্রায় আধা ঘণ্টার মধ্যেই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ১ হাজার ৮৭ জনের বেতন ও উৎসব ভাতা ছাড় করে দেয়।
"বৈঠকটি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফেরার বিষয়ে নতুন করে আশার সঞ্চার হলেও শিক্ষার্থীদের শাটডাউন কর্মসূচিতে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস, চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম (নবনিযুক্ত উপাচার্য), ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম (সাবেক উপাচার্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ দিন (অচলাবস্থা), ১ হাজার ৮৭ জন (বেতন-ভাতা আটকানো), ২৪ সেপ্টেম্বর (উপাচার্য দায়িত্ব গ্রহণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!