📌 চুয়েটের শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন উপাচার্যের বেতন বন্ধের প্রতিবাদে সোনালী ব্যাংক ঘেরাও করলে শেষে বেতন-ভাতা দেওয়া হয়। উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমের ই-মেইল নির্দেশে বেতন বন্ধ রাখা হয়নি, বরং ব্যাংক ঘেরাওয়ের পরই বেতন পরিশোধ করা হয়
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে সোনালী ব্যাংক শাখা ঘেরাও করার পর আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় তাদের বেতন-ভাতা দেওয়া হয়। নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমের ই-মেইল নির্দেশে বেতন বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা কর্মচারীদের ব্যাপক প্রতিবাদ সৃষ্টি করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২:৩০ টায় বেতন পেলেন চুয়েটের শিক্ষক-কর্মচারীরা ব্যাংক ঘেরাও কর্মসূচির পরই বেতন-ভাতা দেওয়া হয়।
- 📌 ১১ টায় শুরু হয় কর্মচারীদের ব্যাংক ঘেরাও কর্মসূচি, যা দেড় ঘণ্টার মধ্যে সমাধান পায়।
- 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর ই-মেইল নির্দেশে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম বেতন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিককে।
- 📌 চুয়েট আইন ২০০৩-এর ধারা ১৩(৭) অনুযায়ী উপাচার্যের অনুমোদন ছাড়া বেতন বিল প্রেরণ বেআইনি বলে উল্লেখ করা হয়।
- 📌 ৫ অক্টোবর ব্যাংক থেকে ফিরতি ই-মেইল পেলে উপাচার্য আবার ই-মেইল দিয়ে বেতন বিল প্রেরণকে অননুমোদিত ঘোষণা করেন।
- 📌 ২১ সেপ্টেম্বর নিয়োগ খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
📰 বিস্তারিত
চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে আজ বুধবার সোনালী ব্যাংকের শাখা ঘেরাও করা হয়। কর্মসূচি শুরু হয় বেলা ১১টায় এবং দেড় ঘণ্টার মধ্যে বেতন পরিশোধের নির্দেশ পেয়ে কর্মচারীরা ঘেরাও প্রত্যাহার করেন। নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমের হস্তক্ষেপে বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছিল।
গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকে শিক্ষার্থীরা সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতিতে যান।
ব্যাংক ঘেরাওয়ের পূর্বে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিককে উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম ই-মেইল করে বেতন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। ৫ অক্টোবর ব্যাংক থেকে ফিরতি ই-মেইল পেলেও উপাচার্য আবার ই-মেইল দিয়ে জানান যে, উপাচার্যের পূর্বানুমোদন ছাড়া বেতন বিল প্রেরণ অননুমোদিত ও বেআইনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতির সভাপতি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘চুয়েটের চিরাচরিত নিয়ম অনুসারে কম্পট্রোলার ও সহ-কম্পট্রোলারের স্বাক্ষরেই বেতন ভাতা দেওয়া হতো। কিন্তু এবার নতুন উপাচার্য বেতন আটকে দিয়েছিলেন। এর প্রতিবাদে আমরা ব্যাংক ঘেরাও করে অবস্থান নিই। এর মধ্যেই আমাদের বেতনের মেসেজ এসেছে। আমাদের দাবির মুখে চুয়েটের চিরাচরিত নিয়ম অনুসারেই আমরা বেতন দেওয়া হয়েছে।’
"চুয়েটের চিরাচরিত নিয়ম অনুসারে কম্পট্রোলার ও সহ-কম্পট্রোলারের স্বাক্ষরেই বেতন ভাতা দেওয়া হতো। কিন্তু এবার নতুন উপাচার্য বেতন আটকে দিয়েছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম, জয়ন্ত ভৌমিক, জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২:৩০ টা (বেতন দেওয়া), ১১:০০ টা (ঘেরাও শুরু), ২১ সেপ্টেম্বর (নতুন উপাচার্য নিয়োগ), ২৯ সেপ্টেম্বর (ই-মেইল নির্দেশ), ৫ অক্টোবর (ফিরতি ই-মেইল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!