📌 চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ২২ দিন ধরে চলমান আন্দোলন। শিক্ষার্থীরা দাবি রাজনীতিহীন আন্দোলন, কিন্তু সরকারের নীতিনির্ধারকরা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দেখছেন। নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ২২ দিনের অচলাবস্থায় রয়েছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না। শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, রাজনীতির কোনো সম্পর্ক ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এই আন্দোলন। তবে সরকারের নীতিনির্ধারকরা এই আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দেখছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটে ২২ দিন ধরে চলমান আন্দোলনে নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে
- 📌 সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আন্দোলন বন্ধ করবেন না
- 📌 শিক্ষার্থীরা দাবি, আন্দোলন রাজনীতিহীন, কিন্তু সরকারের নীতিনির্ধারকরা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দেখছেন
- 📌 গত ২৭ জুলাই আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য নিয়োগ করা হয়েছিল, কিন্তু ৫৬ দিন পর ২১ সেপ্টেম্বর তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়
- 📌 ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও যোগ দিয়েছেন
- 📌 শিক্ষার্থীরা দাবি, সেশনজটের আশঙ্কা থাকায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান
📰 বিস্তারিত
চুয়েটে সাবেক উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ২২ দিন ধরে চলমান আন্দোলন। নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা বলছেন, নতুন উপাচার্যের পদত্যাগ ও সাবেক উপাচার্যের পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন বন্ধ করবেন না।
গত ২৭ জুলাই আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৫৬ দিনের মাথায় ২১ সেপ্টেম্বর তাকে অব্যাহতি দিয়ে শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ২২ সেপ্টেম্বর থেকে সর্বাত্মক শাটডাউন শুরু করেন। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতিতে যোগ দেন। ফলে তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।
শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, তাদের আন্দোলনের সঙ্গে কোনো দলীয় রাজনীতির সম্পর্ক নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনা করেই তারা আন্দোলন করছেন। তবে সরকারের নীতিনির্ধারকরা এই আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দেখছেন। তারা উল্লেখ করেছেন, গাজীপুরের ডুয়েট ও খুলনার কুয়েটে উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে হওয়া আন্দোলনের ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে মনে করেন।
চুয়েটের শিক্ষকদের মধ্য থেকে উপাচার্য নিয়োগ না দিয়ে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। স্থানীয় নেতাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্বের প্রভাবও এই আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দিনের পর দিন অচল হয়ে থাকলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা দাবি করছেন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়া সংকট সমাধান সম্ভব নয়।
"আমরা ক্লাসে ফিরে যেতে চাই। এভাবে অচলাবস্থা চলতে থাকলে সেশনজটের আশঙ্কা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, শেখ শরীফুল আলম, শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ দিন, ২১ দিন, ১০ টা, ২৭ জুলাই, ৫৬ দিন, ২১ সেপ্টেম্বর, ২২ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!