📌 চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত সায়েমের পুনর্বহালের দাবিতে ২০ দিনের অচলাবস্থায় শিক্ষক ও কর্মচারী সমিতি আন্দোলন আরও কঠোর করার ঘোষণা দিয়েছে। সেমিস্টার পরীক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের পুনর্বহালের দাবিতে চলা ২০ দিনের অচলাবস্থায় শিক্ষক ও কর্মচারী সমিতি আন্দোলন আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নেয়। শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ শাটডাউন, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটে ২০ দিনের অচলাবস্থায় শিক্ষক ও কর্মচারী সমিতি আন্দোলন আরও কঠোর করার ঘোষণা দিয়েছে
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি বিভাগের প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে, ছয়টি বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা বন্ধ
- 📌 শিক্ষার্থীদের শাটডাউন শুরু হয় ২২ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক ও কর্মচারী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আন্দোলনে যোগ দেন
- 📌 শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আহসান উল্লাহ বলেছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে
- 📌 চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দীন বলেছেন, সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
চুয়েটে সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ২২ সেপ্টেম্বর থেকে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করে। এর আগের দিন, ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন, পরে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও তাদের সাথে যোগ দেন।
অধ্যাপক সায়েমের পুনর্বহালের দাবিতে চলা আন্দোলনের ২০তম দিনে শিক্ষক সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন জরুরি সভা করে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নেয়। শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আহসান উল্লাহ বলেন, ‘আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চলছে। সংকটের সুরাহা না হওয়া অবধি এই আন্দোলন আরও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।’
স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. জামাল উদ্দিনও জানান, ‘দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ শিক্ষার্থীদের মধ্যে যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী যুলকারনাইন মিহাদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ও সকলের স্বার্থে যে দাবিতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি, সেটির গ্রহণযোগ্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থামিয়ে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি বিশেষায়িত বিভাগের প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে। অন্য একটি প্রতিবেদনে ছয়টি বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত থাকার তথ্য পাওয়া যায়। সেমিস্টার মূল্যায়ন ও গবেষণাগারের কার্যক্রমও সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকায় সেশনজটের আশঙ্কা বাড়ছে।
"বিশ্ববিদ্যালয় ও সকলের স্বার্থে যে দাবিতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি, সেটির গ্রহণযোগ্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থামিয়ে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।"
"আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চলছে। সংকটের সুরাহা না হওয়া অবধি এই আন্দোলন আরও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, ড. শেখ শরীফুল আলম, অধ্যাপক আহসান উল্লাহ, মো. জামাল উদ্দিন, যুলকারনাইন মিহাদ, ড. মো. জিয়াউদ্দীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ দিন, ২২ সেপ্টেম্বর, ২১ সেপ্টেম্বর, ১৮টি বিভাগ, ২৫ থেকে ৩০টি পরীক্ষা, ৯ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!