📌 চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীদের দল ‘চুয়েট সি’ যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ‘মর্টার ওয়ার্কেবিলিটি কম্পিটিশন ২০২৬’-এ ‘ওভারঅল এফিশিয়েন্সি’ বিভাগে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়। ৮৬.৫০ নম্বর পেয়ে তারা ১১টি দেশের ৪০টি দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে সিমেন্ট, বালু ও পানির মিশ্রণে দ্রুততম সময়ে ছাঁচ পূর্ণ করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে। ‘চুয়েট সি’ নামের এই শিক্ষার্থীদের দল যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ‘মর্টার ওয়ার্কেবিলিটি কম্পিটিশন ২০২৬’-এ ‘ওভারঅল এফিশিয়েন্সি’ বিভাগে ৮৬.৫০ নম্বর পেয়ে ১১টি দেশের ৪০টি দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটের শিক্ষার্থীদের দল ‘চুয়েট সি’ যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ‘ওভারঅল এফিশিয়েন্সি’ বিভাগে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় ৮৬.৫০ নম্বর পেয়ে।
- 📌 প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ১১টি দেশের ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল, তাদের মধ্যে চুয়েটের দল প্রথম স্থান অধিকার করে।
- 📌 ইকোনমিক্যাল ডিজাইন বিভাগে দ্বিতীয় ও ইকোলজিক্যাল ডিজাইন বিভাগে চতুর্থ স্থান পেয়ে দলটি মোট ৩টি পুরস্কার জিতেছে।
- 📌 ১২ সেকেন্ডে ছাঁচ পূর্ণ করে দ্রুততম সময়ের রেকর্ড গড়েছে দলটি।
- 📌 ২০০ ঘণ্টার বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অনুশীলনের পর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে শিক্ষার্থীরা।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিযোগিতার খরচ বহন করেছে চুয়েটের প্রবাসী অ্যালামনাইরা।
📰 বিস্তারিত
চুয়েটের শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের শুরু হয়েছিল তৃতীয় বর্ষে। পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও এসিআই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার-চুয়েটের অনুষদ উপদেষ্টা জি এম সাদিকুল ইসলামের অনুপ্রেরণায় চার শিক্ষার্থী একদিন আড্ডা দিতে দিতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা হলেন খন্দকার ফাহাদ আলম, সুমাইয়া বিনতে মান্নান, তানজিম মুশাররাত ও স্বরূপ চন্দ্র মোদক। তাদের সঙ্গে ছিলেন সানিউল হক, রূপম পোদ্দার, আমীর হামজা মাহমুদ এবং মো. সাইজউদ্দিন ফরহাদ।
দলের মেন্টর অধ্যাপক জি এম সাদিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমি খুবই গর্বিত। এটা শুধু চুয়েট নয়, বাংলাদেশের জন্যও বড় অর্জন। এসিআইয়ের অনলাইন প্রতিযোগিতায় আমরা আগে প্রথম ও তৃতীয় স্থান পেয়েছি, কিন্তু সরাসরি অংশগ্রহণ করে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা আরও গর্বের।’
দলটি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার খরচ বহন করেছে চুয়েটের প্রবাসী অ্যালামনাইরা। স্বরূপ চন্দ্র মোদক বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে থাকা-খাওয়ার খরচ আমাদের অ্যালামনাই ভাইয়েরাই দিয়েছেন। এখানে এসে সহজে মানিয়ে নিতে পেরেছি যে মনে হচ্ছে আমরা ঘুরতে এসেছি। এ জন্য তাঁদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।’
প্রতিযোগিতার নিয়ম ছিল ১২ সেকেন্ডের মধ্যে সিমেন্ট, বালু ও পানির মিশ্রণ ছাঁচে ঢেলে দিতে এবং ২০ মিনিটের মধ্যে দেখতে হবে উপাদানগুলো আলাদা হয়ে যাচ্ছে কিনা। দলটি এই চ্যালেঞ্জে সফল হয় এবং ৮৬.৫০ নম্বর পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।
"আমি খুবই গর্বিত। এটা শুধু চুয়েট নয়, আমাদের দেশের জন্যও একটা বড় অর্জন।"
"যুক্তরাষ্ট্রে থাকা-খাওয়ার খরচ আমাদের অ্যালামনাই ভাইয়েরাই দিয়েছেন। এখানে এসে সহজে মানিয়ে নিতে পেরেছি যে মনে হচ্ছে আমরা ঘুরতে এসেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক জি এম সাদিকুল ইসলাম, খন্দকার ফাহাদ আলম, সুমাইয়া বিনতে মান্নান, তানজিম মুশাররাত, স্বরূপ চন্দ্র মোদক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৬.৫০ (নম্বর), ১২ (সেকেন্ড), ২০ (মিনিট), ৪০ (দল), ১১ (দেশ), ২০০ (ঘণ্টা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!