📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, বাল্যবিয়ে মেয়েদের শিক্ষা জীবনে বাধা সৃষ্টি করে। শ্বশুরবাড়ির পরিবার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিলেও পরিবেশ ও দায়িত্ব মেয়েদের পড়াশোনা থেকে দূরে রাখে
বাল্যবিয়ে মেয়েদের শিক্ষা জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে এবং তাদের পড়াশোনা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, বাল্যবিয়ে হলে কিশোরীর শিক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শ্বশুরবাড়ির পরিবারের হাতে চলে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাল্যবিয়ে হলে কিশোরীর শিক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শ্বশুরবাড়ির পরিবারের হাতে চলে যায়
- 📌 শ্বশুরবাড়ির বেশিরভাগ পরিবার পুত্রবধূর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার প্রতি আগ্রহী নয়
- 📌 পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় সময়, পরিবেশ ও মানসিক স্বস্তি বিয়ের পর কিশোরীদের পায় না
- 📌 বিয়ের পর মেয়েদের ওপর এসে পড়ে পারিবারিক নানা দায়িত্ব, যা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ কমিয়ে দেয়
- 📌 বাল্যবিয়ে মেয়েদের ভবিষ্যৎ জীবন গড়ে তোলার সুযোগ সীমিত করে এবং কৈশোরও কেড়ে নেয়
📰 বিস্তারিত
বাল্যবিয়ে মেয়েদের পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, কোনো কিশোরীর বাল্যবিয়ে হলে তার শিক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অনেকটাই শ্বশুরবাড়ির পরিবারের হাতে চলে যায়।
শ্বশুরবাড়ির বেশিরভাগ পরিবার পুত্রবধূর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আগ্রহী থাকে না। এমনকি যদি কোনো পরিবার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিলেও, কিশোরীর জন্য তা সহজ হয় না। কারণ, পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় সময়, পরিবেশ ও মানসিক স্বস্তি অনেক সময় সে পায় না। বিয়ের পর পারিবারিক নানা দায়িত্বও তার ওপর এসে পড়ে, যা পড়াশোনায় মনোযোগ কমিয়ে দেয়।
প্রফেসর আল মামুনের মতে, এসব কারণে অনেক কিশোরীর পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যায় এবং পরীক্ষার ফল খারাপ হতে থাকে। একপর্যায়ে তারা পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ঝরে পড়ে। তিনি আরও বলেন, বাল্যবিয়ে হলে একজন মেয়ের ভবিষ্যৎ জীবন গড়ে তোলার অনেক সুযোগ সীমিত হয়ে যায় এবং তার কৈশোরও কেড়ে নেয়।
"কোনো কিশোরীর বাল্যবিয়ে হলে তার শিক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অনেকটাই শ্বশুরবাড়ির পরিবারের হাতে চলে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!