📌 মোহাম্মদপুরের সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে ছায়ানটের শরৎ উৎসব ‘যোগ দে রে আজ সমান তানে’-এ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিল্পীরা রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও অতুল প্রসাদ সেনের কবিতা-গানের মাধ্যমে প্রকৃতির সৌন্দর্য তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে সারওয়ার আলী বলেন, প্রকৃতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে প্রকৃতিবিনাশ প্রতিরোধে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
মোহাম্মদপুরের সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের প্রবেশপথ থেকে মঞ্চ পর্যন্ত নানা রঙের ঘুড়ি ও কাশফুলের সাজে সজ্জিত হয়ে উঠেছে শরৎকালের প্রথম মাস আশ্বিনের শেষের দিনগুলিতে। এই বিশেষ সময়ে ছায়ানটের শরৎ উৎসব ‘যোগ দে রে আজ সমান তানে’-এ শিক্ষার্থীদের প্রকৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই যৌথ আয়োজনে অংশ নেয় সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল, নালন্দা উচ্চবিদ্যালয়, এক্সেল একাডেমি, সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ছায়ানট।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সকাল সাড়ে সাতটায় শুরু হয় রবীন্দ্রনাথের ‘শরতে আজ কোন্ অতিথি’ গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান। পাঁচ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও ছায়ানটের শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন।
- 📌 রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও অতুল প্রসাদ সেনের কবিতা-গান, ছড়া ও আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়। নালন্দা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘আলোর অমল কমলখানি’ ও ‘শরৎ (আজি কি তোমার মধুর মুরতি)’ গান পরিবেশন করেন।
- 📌 মেহেরিন ফাতেমা ও সুদর্শনা অলকানন্দা কুণ্ডু একক গান ‘তোমরা যা বলো তাই বলো’ ও ‘ভোরের ঝিলের জলে’ পরিবেশন করেন। এক্সেল একাডেমির শিল্পীরা ‘দেখো-দেখো, দেখো, শুকতারা আঁখি’ নৃত্যগীত পরিবেশন করেন।
- 📌 সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীরা ‘কোন্ খেপা শ্রাবণ ছুটে এল’ গান ও কাজী নজরুলের ‘কোন্ শরতে পূর্ণিমা-চাঁদ’ আবৃত্তি করেন। সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের শিক্ষার্থীরা ‘আজ প্রথম ফুলের পাব প্রসাদখানি’ গান পরিবেশন করেন।
- 📌 ছায়ানটের পরিবেশনা শুরু হয় ‘ওগো শেফালিবনের মনের কামনা’ গানে। অঙ্কিতা সরকার, শতদ্রু সরকার ও প্রেমা দেওয়ানগাজী একক গান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের শেষে সব প্রতিষ্ঠানের যৌথ কণ্ঠে ‘আজ ধানের ক্ষেতে’ গান ও জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়।
- 📌 ছায়ানট সভাপতি সারওয়ার আলী বলেন, প্রকৃতির বৈচিত্র্য শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকৃতিবিনাশ প্রতিরোধে ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের প্রকৃতির সান্নিধ্যে এনে তাদের মাধ্যমে সৌন্দর্য ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদপুরের সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের প্রবেশপথ থেকে মঞ্চ পর্যন্ত নানা রঙের ঘুড়ি ও কাশফুলের সাজে সজ্জিত হয়ে উঠেছে শরৎকালের প্রথম মাস আশ্বিনের শেষের দিনগুলিতে। এই বিশেষ সময়ে ছায়ানটের শরৎ উৎসব ‘যোগ দে রে আজ সমান তানে’-এ শিক্ষার্থীদের প্রকৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই যৌথ আয়োজনে অংশ নেয় সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল, নালন্দা উচ্চবিদ্যালয়, এক্সেল একাডেমি, সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ছায়ানট।
সকাল সাড়ে সাতটায় অনুষ্ঠান শুরু হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শরতে আজ কোন্ অতিথি’ শিরোনামের সম্মেলক গান ও নৃত্যের মাধ্যমে। পাঁচ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সমবেত কণ্ঠের সঙ্গে ছায়ানটের শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বের পর একে একে মঞ্চে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম ও অতুল প্রসাদ সেনের গান, ছড়া এবং কবিতা আবৃত্তি।
নালন্দা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করে ‘আলোর অমল কমলখানি’ ও ‘শরৎ (আজি কি তোমার মধুর মুরতি)’ গান। তারা বৃন্দ আবৃত্তিতে তুলে ধরেন সুনির্মল বসুর ‘সবার আমি ছাত্র’ কবিতাটি। একক গান ‘তোমরা যা বলো তাই বলো’ ও ‘ভোরের ঝিলের জলে’ পরিবেশন করেন মেহেরিন ফাতেমা ও সুদর্শনা অলকানন্দা কুণ্ডু। এক্সেল একাডেমির শিল্পীরা ‘দেখো-দেখো, দেখো, শুকতারা আঁখি’ নৃত্যগীত পরিবেশন করেন।
সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা ‘কোন্ খেপা শ্রাবণ ছুটে এল’ গান পরিবেশন করেন। ইজমির মুস্তাফিজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শরৎ (এসেছে শরৎ, হিমের পরশ)’ আবৃত্তি করেন। স্কুলটি দলবদ্ধভাবে আবৃত্তি করে কাজী নজরুল ইসলামের ‘কোন্ শরতে পূর্ণিমা-চাঁদ’। সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের শিক্ষার্থীরা ‘আজ প্রথম ফুলের পাব প্রসাদখানি’ গান পরিবেশন করেন। একক কণ্ঠে সার্থক সাহা ‘এসো শারদ প্রাতের পথিক’, বাঁধন কুণ্ডু ‘হৃদয়ে ছিলে জেগে’ এবং দিব্যময় দেশ ‘মেঘেরা দল বেঁধে যায়’ পরিবেশন করেন।
"আমাদের ষড়ঋতুর দেশে ঋতুভিত্তিক বৈচিত্র্য রয়েছে। বিশেষ করে শরতের স্নিগ্ধতা-বৃষ্টিহীন নীল আকাশ, মেঘের ভেলা, ফুটন্ত কাশবন ও শিউলি ফুল মিলিয়ে শরতের যে নিজস্ব রূপ, তা শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছে ছায়ানট।"
ছায়ানটের পরিবেশনা শুরু হয় ‘ওগো শেফালিবনের মনের কামনা’ গানে। অঙ্কিতা সরকার ‘অমল ধবল পালে লেগেছে’, শতদ্রু সরকার ‘আমার রাত পোহালে’, প্রেমা দেওয়ানগাজী ‘হে ক্ষণিকের অতিথি’ গান পরিবেশন করেন। পার্থিব সাহার কণ্ঠে ‘শিউলি ফুল শিউলি ফুল’ দিয়ে শেষ হয় গানের আয়োজন। সবশেষে, সব প্রতিষ্ঠানের যৌথ কণ্ঠে ‘আজ ধানের ক্ষেতে’ সম্মেলক নৃত্যগীত এবং জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সারওয়ার আলী (ছায়ানট সভাপতি), মেহেরিন ফাতেমা, সুদর্শনা অলকানন্দা কুণ্ডু, অরুণাভ দে, ইপ্সিতা সিকদার, ইজমির মুস্তাফিজ, সার্থক সাহা, বাঁধন কুণ্ডু, দিব্যময় দেশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি প্রতিষ্ঠান (সেন্ট যোসেফ হায়ার, নালন্দা উচ্চবিদ্যালয়, এক্সেল একাডেমি, সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল, ছায়ানট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!