📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মুনতাছির মারজু (২৩) ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। মারধরের অভিযোগ ওঠে যখন তাকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা আক্রমণ করেন। সন্দেহের পেছনে ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আবরার শাহরিয়ারের একটি পোস্ট
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুনতাছির মারজু (২৩) ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে আজ সোমবার হাটহাজারী থানায় পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। ঘটনাস্থলে মারধরের অভিযোগ উঠে যখন তাকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা আক্রমণ করেন। মুনতাছিরের বাবা মো. মোস্তফা কামাল এবং বাড়ি চাঁদপুর সদর থানার মোমিনপাড়ায় অবস্থিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনতাছির মারজু (২৩) ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়
- 📌 মুনতাছিরের ফোন থেকে আবরার শাহরিয়ারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের হোয়াটসঅ্যাপ যোগাযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়
- 📌 প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা মারধর করেন, মুনতাছির মারধরের অভিযোগ করেন
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মুনতাছিরকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে
- 📌 হাটহাজারী থানার ওসি জানান, এখনো কোনো মামলা করা হয়নি, বিষয়টি পর্যালোচনা চলছে
📰 বিস্তারিত
আজ সোমবার বেলা তিনটার দিকে মুনতাছিরকে এ এফ রহমান হল থেকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাক্রমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আবরার শাহরিয়ারের একটি পোস্টের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে সন্দেহের ছায়া পড়ে। ওই পোস্টে চাকসু ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাদের মোটরসাইকেলে টহল দেওয়ার ছবি ছিল এবং মুনতাছিরের প্রতিক্রিয়া ছিল। পরে তাঁকে হল সংসদের কক্ষে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। হল সংসদ ও আবাসিক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে তাঁর ফোন থেকে আবরার শাহরিয়ারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের হোয়াটসঅ্যাপ যোগাযোগ এবং ভোরে মেসেঞ্জারে পাঠানো একটি বার্তা পাওয়া যায়।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় মোনায়েম শরীফ উপস্থিত হন, যিনি চাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের ছাত্র অধিকার সম্পাদক। মোনায়েম শরীফ উপস্থিত হলে মুনতাছিরকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠে। মুনতাছির মারধরের অভিযোগ করেন এবং বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আমাকে মারধর করা হয়, আমার পিঠে মারা হয় এবং দু-তিনটি থাপ্পড় দেওয়া হয়’।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কামরুল হোসেন জানান, শিক্ষার্থীরা মুনতাছিরকে আটক করে তাঁর ফোন ঘেঁটে দেখেন। পরে বিভিন্ন কথোপকথনের বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়। প্রক্টর বলেন, ‘যেহেতু বিষয়টি ফৌজদারি ও আইনগত, তাই পুলিশকে জানানো হয়েছে’। তবে প্রক্টর কার্যালয়ে আনার আগে বাইরে কী হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই।
"ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে আমার নাম নেই এবং আমি কখনো ছাত্রলীগ করিনি। জুলাইয়ের আগে থেকেই আবরার শাহরিয়ারের সঙ্গে আমার যোগাযোগ ছিল। তবে ছাত্রলীগের কোনো রাজনৈতিক মিছিল-মিটিংয়ে আমি অংশ নিইনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, এ এফ রহমান হল, হাটহাজারী থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুনতাছির মারজু (২৩), আবরার শাহরিয়ার, মোনায়েম শরীফ, প্রক্টর কামরুল হোসেন, মো. মাইন উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ বছর, ৩৩৩ নম্বর কক্ষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!