📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিকীকরণ ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের পঞ্চম তলায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি শিক্ষার নতুন যুগের সূচনা হয়। চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকানসহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও শিক্ষক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে প্রস্তুত করতে সহায়তা করবে
- 📌 চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হওয়ায় চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি শিক্ষা শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ খুলবে
- 📌 ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টি কমিটির সম্পাদক রুয়ান ঝাওছি বলেন, এই অংশীদারত্ব শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে
- 📌 ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা চীনা ভাষা শেখার পাশাপাশি চীনের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবেন
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের যাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। তিনি উল্লেখ করেন, চীনা ভাষাকে শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে তাদের কর্মসংস্থান ও কর্মদক্ষতার ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি আরও বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অংশীদার হওয়ায় দেশটির ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে সহায়তা করতে পারে।
ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টি কমিটির সম্পাদক রুয়ান ঝাওছি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে পেরে তারা আনন্দিত। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, ভাষা ও সংস্কৃতির বিনিময় আরও সমৃদ্ধ হবে। ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা চীনা ভাষা শেখার পাশাপাশি চীনের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজ সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে দুই দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়বে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
"চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকীকরণ, ভাষা শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।"
"চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অংশীদার হওয়ায় দেশটির ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে সহায়তা করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ, পঞ্চম তলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান, রুয়ান ঝাওছি, ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, ড. মো. সফিকুল ইসলাম, ড. মো. কামাল উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!