📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭০৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: ৬০৫ পদ শূন্য, শিক্ষার্থীদের পাঠদান চাপে পড়ে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭০৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: ৬০৫ পদ শূন্য, শিক্ষার্থীদের পাঠদান চাপে পড়ে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৭০৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০৫ শিক্ষকের পদ শূন্য। শিক্ষক সংকটে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চাপে পড়েছে। এফএলএন জরিপে দেখা যায়, তৃতীয় শ্রেণির ৩০% শিক্ষার্থী বাংলা পড়তে পারছে না

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ৭০৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের মান হ্রাস পাচ্ছে। জেলার ৪ হাজার ৭৫৩টি শিক্ষক পদে মাত্র ৪ হাজার ১৪৮ জন কর্মরত আছেন, যার ফলে ৬০৫টি পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানের মান হ্রাস পাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭০৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০৫ শিক্ষকের পদ শূন্য
  • 📌 ৪ হাজার ৭৫৩টি শিক্ষক পদে মাত্র ৪ হাজার ১৪৮ জন কর্মরত
  • 📌 শিক্ষক সংকটে শিক্ষকদের একাধিক শ্রেণির পাঠদান করতে হয়
  • 📌 তৃতীয় শ্রেণির ৩০% শিক্ষার্থী বাংলা পড়তে পারছে না
  • 📌 চতুর্থ শ্রেণির এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী মৌলিক গণিত দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না
  • 📌 পঞ্চম শ্রেণির ৩৭.৬০% শিক্ষার্থী ইংরেজি পড়তে পারছে না

📰 বিস্তারিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের মান হ্রাস পাচ্ছে। জেলার ৭০৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক পদ রয়েছে ৪ হাজার ৭৫৩টি, কিন্তু কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ৪ হাজার ১৪৮ জন। এর ফলে ৬০৫টি শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। কোনো শিক্ষক ছুটিতে থাকলে অন্যদের একাধিক শ্রেণির পাঠদান করতে হয়। ফলে শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে নজর দেওয়া এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের বাড়তি সহায়তা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

পশ্চিম আনারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুহুল আমীন বলেন, ১৯৪ শিক্ষার্থীর জন্য ছয়টি শিক্ষক পদের বিপরীতে মাত্র পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত আছেন। একজন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের একজন সহকারী শিক্ষককে প্রতিদিন সাতটি করে ক্লাস নিতে হয়। প্রধান শিক্ষকও দুটি ক্লাস নেন। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সময় উপকরণ প্রদর্শন করা সম্ভব হয় না। শিক্ষার্থীদের শিক্ষণ ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।’

দেওপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমী খাতুন বলেন, ২৩৮ শিক্ষার্থীর জন্য সাতটি পদের বিপরীতে মাত্র পাঁচ শিক্ষক কর্মরত আছেন। একজন শিক্ষক বরখাস্ত এবং প্রধান শিক্ষকের একটি পদও শূন্য রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাকে প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে অন্য চার শিক্ষককে প্রচুর চাপের মধ্যে পাঠদান কার্য চালাতে হয়। শিক্ষার্থীদের শিক্ষণ ঘাটতি থাকছে।’

এফএলএনের জরিপ অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতা অর্জন করতে পারেনি। তৃতীয় শ্রেণির প্রায় ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী সাবলীলভাবে বাংলা পড়তে পারেনি। একইভাবে চতুর্থ শ্রেণির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগের মৌলিক দক্ষতায় কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। পঞ্চম শ্রেণিতেও ইংরেজি পড়ার ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। ৬২.৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী সাবলীলভাবে ইংরেজি পড়তে পারলেও ৩৭.৬০ শতাংশ এখনো পারেনি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষক সংকটের বিষয়টি অধিদপ্তর দেখভাল করছে।’

"আমাদের একজন সহকারী শিক্ষককে প্রতিদিন সাতটি করে ক্লাস নিতে হয়। প্রধান শিক্ষকও দুটি ক্লাস নেন। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সময় উপকরণ প্রদর্শন করা সম্ভব হয় না। শিক্ষার্থীদের শিক্ষণ ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা, পশ্চিম আনারপুর ও দেওপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল আমীন, নাজমী খাতুন, মো. সাইফুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০৭টি স্কুল, ৬০৫টি শিক্ষক পদ শূন্য, ৪ হাজার ৭৫৩টি শিক্ষক পদ, ৪ হাজার ১৪৮ জন কর্মরত শিক্ষক, ৩০% তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী বাংলা পড়তে পারছে না

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖